পাঁচ বছর আগে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য জারি হয়েছিল টিচার্জ এলিজিবিলিট টেস্টের বিজ্ঞপ্তি। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল গড়িয়াহাট থানায়। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির নির্দেশে, পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল এবং কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু পুলিশ এর তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
পরীক্ষা বাতিলের যুক্তিতে বলা হয়েছে যে, দুপুর দুটোই পরীক্ষা শুরু হওয়ার অনেক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় যে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়েছিল তার সাথে টেটের প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কলকাতা পুলিশ এর তরফে যে চার্জশিট জমা করা হয়েছিল তাতে তাদের দাবি ছিল, যেহেতু পরীক্ষার্থীদের অনেক আগেই পরীক্ষাহলে ঢুকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাই প্রশ্ন ফাঁস পরীক্ষার ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। যাইহোক চার বছর পর রাজ্যের জন্য। শেষ অবধি প্রশ্ন ফাঁস মামলায় হাইকোর্টে জয় হল রাজ্যের।
পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ হওয়ায় রাজ্যে নিযুক্ত চল্লিশ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের বড়োসড়ো আইনি জট কাটল, তাই তারা এখন শান্তির নিশ্বাস ফেলবে।
রেল যাত্রীদের জন্য ফের বড়সড় ভোগান্তির খবর। পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনে ব্যান্ডেল স্টেশন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ…
রাজ্যের সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরবরাহ করা ইউনিফর্মের গুণমান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন…
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেল। সোমবার দুর্নীতি, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ…
দক্ষিণবঙ্গজুড়ে গত কয়েকদিন ধরে ভ্যাপসা গরম ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার জেরে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। জ্যৈষ্ঠের দাবদাহের…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেআইনি…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই তৃণমূল…