রেল যাত্রীদের জন্য সুখবর। আজ আমরা আপনাকে ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ে ছাড় সম্পর্কে বলতে চলেছি। করোনার কারণে অপ্রয়োজনীয় যাত্রা রোধ করার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রেল ২০২০ সালের মার্চ মাসে টিকিট বিভাগে দেওয়া ছাড় বাতিল করেছিল। বর্তমানে শুধু শিক্ষার্থী, রোগী ও প্রতিবন্ধীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন।
প্রবীণ নাগরিকদের জন্য রেলের টিকিট বুকিংয়ে ছাড় আপাতত বন্ধ রয়েছে। এর আগে ভারতীয় রেল থেকে ১২টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। করোনা-কালে পিরিয়ডে লকডাউন ওঠার পর এখন ১২টি ক্যাটাগরিতে ছাড় দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩টি ক্যাটাগরিতে। এর মধ্যে প্রথমটি প্রতিবন্ধীদের দেওয়া ছাড়, দ্বিতীয় শ্রেণি, প্রথম শ্রেণি, থার্ড এসি এবং এসি চেয়ার কারে ৭৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফার্স্ট এসি এবং দ্বিতীয় এসিতে তা কমিয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।
রাজধানী ও শতাব্দী ট্রেনে থার্ড এসি ও এসি চেয়ার কারে মিলছে মাত্র ২৫ শতাংশ ছাড়। প্রতিবন্ধীদের তত্ত্বাবধায়কও এ ছাড় পান। ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অনলাইনে কোনও ছাড়ের টিকিট বুক করা যাবে না। প্রতিবন্ধী ছাড়া বাকিরা শুধু টিকিট কাউন্টারে গিয়ে টিকিট বুক করতে পারবেন।
ক্যান্সার রোগীদের দ্বিতীয় ও প্রথম শ্রেণির টিকিটে ৭৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্লিপার ও থার্ড এসিতে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন তারা। একইভাবে ফার্স্ট ও সেকেন্ড এসিতে রয়েছে ৫০ শতাংশ ছাড়। থ্যালাসেমিয়া, হার্ট ও কিডনি রোগীদের সেকেন্ড স্লিপার, ফার্স্ট ক্লাস, থার্ড এসি ও এসি চেয়ার কার টিকিটে ৭৫ শতাংশ এবং ফার্স্ট ও সেকেন্ড এসির টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ রোগীদের সেকেন্ড স্লিপার ও ফার্স্ট ক্লাসে ৭৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয় এবং রোগীর সঙ্গে ভ্রমণকারীও এই ছাড়ের সুবিধা পাবেন। এইডস রোগীদের দ্বিতীয় শ্রেণির টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। অস্টোমি রোগীরা ট্রেন ছাড়ে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন।
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…
রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ হলদিবাড়ি রেল স্টেশনকে নতুন রূপে…
বর্তমান সময়ে নতুন বাইক কেনার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে আপনার সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হতে পারে—পেট্রোল…
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। দিনের বেলায় চড়া রোদ…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম আলোচিত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar)-এর আবেদন প্রক্রিয়া বর্তমানে অফলাইন…
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, এবার রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল…