জমির কর দেওয়ার রশিদ, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা প্যান কার্ড এর কোনোটিই নাগরিকত্বের প্রমাণ দেয়না। একটি মামলায় এমনটাই জানালো গুয়াহাটি হাইকোর্ট। গতবছর অসমে হওয়া এনআরসি হয়েছিল, তাতে বাদ গিয়েছিল প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ। তাদেরই একজন জবেদা বেগম। এনআরসির তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেছে তিনি বিদেশির তালিকায় পড়েছেন। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি গুয়াহাটি হাইকোর্টে আবেদন করেন।
সেই আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি মনোজিত ভূঁইয়া এবং বিচারপতি পার্থজ্যোতি সাইকিয়ার বেঞ্চ জানিয়েছে জমির করের রশিদ, প্যান কার্ড বা ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট কখনোই নাগরিকত্বের প্ৰমাণ নয়। আদালত থেকে বলা হয়, যেসমস্ত নথি জবেদা বেগম জমা দিয়েছেন সেগুলোতে তার বাবা-মায়ের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। জবেদা বেগমের এইসমস্ত নথি আগেই ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে বাতিল হয়েছিল। তারপরেই তিনি গুয়াহাটি হাইকোর্টে মামলা করেন, সেখানেও রায় তার বিপক্ষে গেল।
আরও পড়ুন : বিশ্ব জুড়ে প্রায় ৭৩ হাজার করোনায় আক্রান্ত, চিনে মৃতের সংখ্যা দুই হাজার
প্রসঙ্গত, গতবছর অসমে এনআরসি হয়। যেখানে সঠিক নাগরিকত্বের প্ৰমাণ না দেখাতে পারায় ১৯ লক্ষ মানুষের পরিচয় হয় ‘বিদেশি’। যদিও আরও একবার তাদের এই দেশের নাগরিক হওয়ার প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরই মাঝে এই রায় আসলো হাইকোর্টের তরফে। দেশজুড়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে চলা বিক্ষোভের মাঝে এই রায় যে যথেষ্টই তাৎপর্যের তা বলাই যায়।














