প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে দেশে চালু হয়েছিল আয়ুষ্মান ভারত যোজনা (Ayushman Bharat Yojana)। এতদিন দেশের একাধিক রাজ্যে এই প্রকল্প চালু থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে তা কার্যকর হয়নি। তবে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সোমবার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, আজ থেকেই বাংলায় চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প।
এই ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কারণ, এই প্রকল্পের আওতায় বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে বড়সড় চিকিৎসার খরচ নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না বহু পরিবারকে।
২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান ভারত যোজনা চালু করে। মূলত দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলিকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প শুরু হয়েছিল। এই প্রকল্পের আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে সম্পূর্ণ ক্যাশলেস চিকিৎসা পাওয়া যায়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অপারেশন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ থেকে শুরু করে চিকিৎসার প্রায় সমস্ত খরচ বহন করে সরকার। এছাড়াও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তৃতীয় দিন থেকে পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হল, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড থাকলে দেশের যেকোনও প্রান্তের তালিকাভুক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা করানো যাবে। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারাও এবার সারা দেশে এই সুবিধা পাবেন।
সম্প্রতি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হয়েছে। এখন ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে হলে প্রথমে PMJAY-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর হোমপেজে থাকা “Am I Eligible” অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে নিজের মোবাইল নম্বর, ক্যাপচা এবং ওটিপি দিয়ে লগইন করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে নিজের রাজ্য, জেলা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নির্বাচন করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এরপর ই-কেওয়াইসি করতে হবে। যদি আবেদনকারী যোগ্য হন, তাহলে তালিকায় তাঁর নাম দেখাবে। এরপর “Do eKYC” অপশনে ক্লিক করে আধার নম্বর যাচাই করতে হবে। আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইলে আসা ওটিপি দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করলেই ই-কেওয়াইসি শেষ হবে। সবশেষে প্রায় ২০ মিনিট পরে পুনরায় লগইন করে ডিজিটাল আয়ুষ্মান ভারত কার্ড ডাউনলোড করা যাবে।
কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, ভূমিহীন পরিবার, দিনমজুর, তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। এছাড়াও যাঁরা এক কামরার বাড়িতে থাকেন তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।
তবে পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছরের উপার্জনক্ষম পুরুষ সদস্য থাকলে সাধারণত এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে, ৭০ বছরের বেশি বয়সি প্রবীণ নাগরিকরাও এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…