সাধারণ মানুষের জন্য বাজেট ২০২৫-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল KYC (Know Your Customer) সম্পর্কিত নতুন সিস্টেম। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ঘোষণা করেছেন যে নতুন KYC নিয়ম ২০২৫ সালের মধ্যেই কার্যকর হবে। এই নতুন নিয়ম KYC প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করবে এবং প্রতারণা ও তথ্যের অপব্যবহার রোধ করবে।
KYC কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
KYC হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ব্যাঙ্ক, গ্যাস সংযোগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য পরিষেবা নিতে গেলে নিজের পরিচয় যাচাই করতে হয়।
– ব্যবহার:
– ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা
– মোবাইল সংযোগ নেওয়া
– গ্যাস সংযোগ গ্রহণ
– বিনিয়োগ বা ঋণ নেওয়া
– সমস্যা:
– অনেক সময় প্রতারকরা ভুয়া তথ্য দিয়ে জালিয়াতি করে।
– তথ্যের অপব্যবহার বা ডেটা লিক হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
নতুন নিয়ম: সেন্ট্রাল KYC (CKYC) কী?
বাজেট ২০২৫-এ ঘোষিত সেন্ট্রাল KYC (CKYC) এমন একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেস যেখানে গ্রাহকদের KYC তথ্য একবার নিবন্ধিত হলে বারবার KYC আপডেট করতে হবে না।
– কীভাবে কাজ করবে?
– সমস্ত গ্রাহকের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে সংরক্ষিত থাকবে।
– গ্রাহকের আধার ও প্যান নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্য সরাসরি প্রকাশ করা হবে না।
– একটি অনন্য আইডি (Unique ID) তৈরি করা হবে, যা ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আপনার KYC যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন CKYC সিস্টেমের সুবিধা
1. বারবার KYC আপডেট করার ঝামেলা নেই
– একবার KYC করলে সব ব্যাংক ও আর্থিক সংস্থায় গ্রহণযোগ্য হবে।
2. তথ্য সুরক্ষা আরও উন্নত
– আধার বা প্যান নম্বর প্রকাশ না করেও নিরাপদ পরিচয় যাচাই করা যাবে।
3. জালিয়াতি ও প্রতারণা প্রতির














Spice Girls Reunite to Celebrate Emma Bunton’s 50th Birthday in the English Countryside