Image Source - Google AI
জন্মের প্রথম সরকারি পরিচয়পত্র হলো জন্ম সনদ। শিক্ষা থেকে চাকরি, ব্যাংক থেকে পাসপোর্ট— প্রায় প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবাতেই এই নথির প্রয়োজন হয়। আগে যেখানে অফিসে দৌড়ঝাঁপ করতে হত, এখন সরকারের উদ্যোগে জন্ম সনদের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে করা সম্ভব হয়েছে। ফলে নাগরিকদের সময় ও শ্রম দুই-ই বাঁচছে।
জন্ম সনদ কোনও ব্যক্তির জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও পিতামাতার নাম সরকারি ভাবে প্রমাণ করে। এই নথি ছাড়া স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় না। সরকারি চাকরির আবেদন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, এমনকি বিদেশ ভ্রমণ বা পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও জন্ম সনদ অপরিহার্য।
আইন অনুযায়ী শিশুর জন্মের ২১ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। এই সময়সীমার মধ্যে করলে কোনও খরচ লাগে না। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলে সামান্য ফি দিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
স্কুল ও কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ হয়।
সরকারি সুবিধা ও স্কিম পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র হিসেবে কাজ করে।
পাসপোর্ট, ভিসা বা বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক।
ব্যাংকিং পরিষেবা বা চাকরির ক্ষেত্রে পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
জন্ম সনদের জন্য আবেদন করতে কয়েকটি নথি প্রয়োজন—
মা ও বাবার আধার কার্ড ও ভোটার আইডি
হাসপাতাল কর্তৃক দেওয়া জন্ম সংক্রান্ত প্রমাণপত্র
ঠিকানার প্রমাণপত্র
শিশুর বাড়িতে জন্ম হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদপত্র
সক্রিয় মোবাইল নম্বর
ভারতের যে কোনও নাগরিক জন্ম সনদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। জন্মের ২১ দিনের মধ্যে করলে এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়। সময়সীমা পার হয়ে গেলে ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
জন্ম সনদের আবেদন অনলাইনে করতে হলে সরকারি পোর্টালে গিয়ে প্রথমে General Public Sign Up করতে হবে। এরপর লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করে ফর্ম পূরণ করতে হবে। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করার পর আবেদন জমা দিতে হবে। ২১ দিন পর আবেদন করলে অনলাইনে ফি জমা করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হলে একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাওয়া যাবে, যার সাহায্যে আবেদনটির স্ট্যাটাস ট্র্যাক করা সম্ভব।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ভারত সরকার দেশের বিভিন্ন মন্দিরে জমা…
ভারতীয় রেলওয়েতে ফের একটি ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা সামনে আসতেই যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ…
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের ডিএ (Dearness Allowance) এবং সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে।…
কলকাতার ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম পার্ক সার্কাস রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশন চত্বর ঘিরে বেআইনিভাবে বসে…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ…
পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস পরিষেবা চালু হওয়া নিয়ে সম্প্রতি জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ…