গত বছরের মার্চ মাস থেকে করোনা ভাইরাসের সংকট অভিশাপের মতো বিশ্ববাসীর জীবনে উপস্থিত হয়েছে। এই পরিস্থিতি চলতি বছরের শুরুর দিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের বুকে আছড়ে পড়ে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। টানা ২ মাস ধরে দৈনিক সংক্রমণ ২ লাখের বেশি ছিল এবং মৃত্যুমিছিল নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। একাধিক রাজ্যে গণচিতা অব্দি জ্বলতে দেখা গিয়েছিল। এই মারণ ভাইরাসের শিকার হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। এই পরিস্থিতিতে গতকাল কেন্দ্র সরকার প্রথমে করোনায় অনাথ হয়ে যাওয়া শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিয়েছিল। তারপর আবার কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করেছে যে করোনায় যে সমস্ত পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যের মৃত্যু হয়েছে তাদের পেনশন দেবে কেন্দ্র।
কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে সমস্ত পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্য অর্থাৎ যার রোজগারে সংসার চলে সে করোনার কবলে পড়ে মারা গেলে তার পরিবারের দায়িত্ব নেবে সরকার। তাদের পরিবারকে পেনশন দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের জন্য বিমারও ব্যবস্থা করা হবে। তাদের পরিবারকে ESIC পেনশন প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ৩ মার্চের মধ্যে যারা মারা গিয়েছেন তার পরিবার পেনশন এর সুবিধা পাবেন। তারা ২০২২ সালের ২৪ মার্চ ওই সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া বিমার মূল্য ৬ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭ লাখ টাকা করা হয়েছে বলে খবর।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, করোনায় বাবা মা হারানো শিশুদের দেখভালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব কেন্দ্রের। তাদের পড়াশোনার জন্য সমস্ত খরচ করা হবে পিএম কেয়ার ফান্ড থেকে। অনাথ শিশুদের বয়স ১৮ হলে তাদের প্রতি মাসে স্টাইপেন হিসেবে অর্থ সাহায্য করা হবে। অন্যদিকে অনাথ হওয়ার বয়স ২৩ হলে তাদের এককালীন ১০ লাখ টাকার আর্থিক সাহায্য করা হবে। সমস্ত শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা পুরোপুরি বিনামূল্যে করে দেওয়া হবে।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…