খাদ্যসাথী প্রকল্পে নতুন রেশন কার্ড তৈরীর কাজ চলছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। গ্রাহকদের দেওয়া হচ্ছে ডিজিটাল কার্ড। তবে এই ডিজিটাল কার্ড তৈরী করতে গিয়ে বিতর্কের মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রশাসনকে। ডিজিটাল কার্ডগুলো সব ভুলে ভরা, এমনই অভিযোগ গ্রাহকদের। আর কর্তৃপক্ষের এই ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ জনতাকে। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি অফিসারদের গাফিলতিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
সরকারের রেশন কার্ড সংশোধনের যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তারও সমালোচনা করেন অনেকে। সারাদিন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও বিকেলবেলা নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে মানুষকে। এর জন্য সরকারি কর্মচারীদের অদক্ষতাকেই দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন অনেকে।
ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই এদিন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন কার্ড সংশোধনের সময়সীমা বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। আজ, বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের মঞ্চ থেকে একথা ঘোষণা করেন তিনি।
৫ ই নভেম্বর থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল রেশন কার্ড তৈরী এবং সংশোধনের সময়সীমা বাড়ানো হলো বলে জানান তিনি। ফলে, নিজেদের ডিজিটাল রেশন কার্ড সংশোধনের জন্য গ্রাহকরা আরও ১ মাস সময় হাতে পেলেন।
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, এবার রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল…
জ্যৈষ্ঠ মাসের ভ্যাপসা গরমে কার্যত নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। সকাল থেকেই তীব্র রোদ, উচ্চ তাপমাত্রা এবং…
দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা একাধিক রেল প্রকল্পে এবার নতুন করে গতি আসতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়…
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্রমবর্ধমান দামের মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর। রান্নার খরচ কমাতে…
শিয়ালদা ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের জন্য বড় খবর। রেলের পরিকাঠামোগত কাজের কারণে আগামী ৬ জুন রাত থেকে…
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…