২০১৬ সালে প্রেমিকের সঙ্গে একটি হোটেলের ঘরে নিজচ্ছায় যান এক যুবতী। সেখানে উভয়ের মিলিত সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হয়। মেয়েটির অভিযোগ, ছেলেটি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সাথে সহবাস করেছে। কিন্তু তারপর তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করছে। এই ভিত্তিতে যুবতী পুলিশে ধর্ষনের অভিযোগ লেখান। এই মামলা শেষঅবদি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
এই মামলার শুনানিতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিয়ে বিচারপতি বিভু বাখরু বলেন, ‘দুজন প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়ের সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হওয়ার পর প্রেমিকার সাথে বিচ্ছেদ করলে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে কোনোভাবেই তা অবরোধ বলে গণ্য হবেনা। এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট।’
দিল্লি হাইকোর্ট আরও বলেন, ‘প্রেমিকা যদি যৌন সম্পর্কে না বলে, তাহলে যেমন তার মতকে সম্মান জানানো বাধ্যতামূলক, সেরকম হ্যাঁ বলার মানে হ্যাঁ -ই থাকবে।’
ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফের সামনে উঠে এল গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গ। শেখ…
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং নিশ্চিত রিটার্ন— এই দুই বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন সাধারণ মানুষ।…
কলকাতার রাস্তায় অবৈধ পার্কিং রুখতে এবার কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে…
গরমের ছুটিতে দার্জিলিং বা উত্তরবঙ্গ যেতে চান? ট্রেনের টিকিটের চিন্তা ভুলে এবার মাত্র ১৮০০ টাকাতেই…
নীতি আয়োগের নতুন বার্তার পর ফের শিল্পায়ন নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বাংলায়। হাওড়া-হুগলি থেকে…
আইপিএলে ফের ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন ফিন অ্যালেন। তাঁর বিধ্বংসী ইনিংসের সৌজন্যে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয়…