বর্তমানে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, আইসিআইসিআই ব্যাংক এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এই তিনটি ব্যাংক দেশের অর্থ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ইতিমধ্যেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে এই তিনটি ব্যাংককে D-SIB লিস্টে রাখা হয়েছে এবং এদের জন্য বেশ কড়া রেগুলেশন তৈরি করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে আমেরিকার দুটি ব্যাংক সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক এবং সিগনেচার ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পরে ইতিমধ্যেই ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে অনেকের মধ্যেই চিন্তা শুরু হয়েছে। তৃতীয় ব্যাংক ফাস্ট রিপাবলিক ব্যাংককে অন্যান্য বড় ব্যাংকগুলি ৩০ কোটি ডলার দিয়ে বাঁচিয়ে দিলেও, মার্কিন ব্যাংক ডুবে যাওয়া অনেকটাই চিন্তার মধ্যে ফেলেছে ভারতের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকেও।
এমনিতে ভারতের ব্যাংকিং সেক্টরের উপরে মার্কিন ব্যাংকের বিশেষ কোনো প্রভাব পড়ে না। তবে একের পর একই ব্যাংক এরকমভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষ বেশি চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। এরকম ঘটনা ঘটার পরে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, যদি এভাবেই ব্যাংক ডুবতে শুরু করে তাহলে তাদের টাকার কি হবে? এরকম ক্ষেত্রে সরকার পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনসিওরেন্স কভার দিয়ে থাকে। তবে, যদি আপনার ব্যাংক ভারতের শীর্ষস্থানীয় তিনটি ব্যাংকে থাকে তাহলে আপনার কোন চিন্তা নেই। এই তিনটি ব্যাংক কখনোই ডুবতে পারে না বলে আরবিআই। এরকম ব্যাংককে D-SIB ব্যাংক বলা হয়ে থাকে। এই তালিকায় এই মুহূর্তে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক রয়েছে।
টেকনিক্যালি, D-SIB অর্থ হলো ডোমেস্টিক সিস্টেমিক্যালি ইম্পর্টেন্ট ব্যাংক। অর্থাৎ এই ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এতটাই জরুরী হয় যে সরকার তাদের ডুবে যাওয়া কখনো বহন করতে পারবে। এই ব্যাংক যদি ডুবে যায় তাহলে গোটা দেশের আর্থিক অবস্থা নড়ে যাবে। এর জেনে আর্থিক সংকট এবং ত্যানিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ইংরেজিতে এই ব্যাংকের জন্য TOO BIG TO FAIL কথাটি ব্যবহার করা হয়। ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার পরে ব্যাংকগুলিকে D-SIB হিসেবে ঘোষণা করার ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। এরপরে দেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংক ডুবে গিয়েছিল। ২০১৫ সালের পর থেকে প্রত্যেক বছর আর বি আই এই তালিকা প্রকাশ করে। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে শুধুমাত্র এসবিআই এবং আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক ছিল D-SIB। তবে ২০১৭ সাল থেকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক।
ব্যাংক পারফরমেন্স এবং কাস্টমার বেসের উপরে নির্ভর করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। এই লিস্টে থাকার জন্য ব্যাংকের সম্পত্তি দেশের জিডিপির দু শতাংশের বেশি হতে হবে। এই D-SIB এর জন্য ৫টি আলাদা আলাদা বাকেট রাখা হয়। বাকেট ৫-এ থাকা মানে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং বাকেট-১-এ থাকার অর্থ সব থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে D-SIB এর ৩ নম্বর বাকেটে রয়েছে এসবিআই। অন্যদিকে বাকেট-১-এ রয়েছে ICICI ও HDFC।
রেল যাত্রীদের জন্য ফের বড়সড় ভোগান্তির খবর। পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনে ব্যান্ডেল স্টেশন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ…
রাজ্যের সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরবরাহ করা ইউনিফর্মের গুণমান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন…
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেল। সোমবার দুর্নীতি, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ…
দক্ষিণবঙ্গজুড়ে গত কয়েকদিন ধরে ভ্যাপসা গরম ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার জেরে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। জ্যৈষ্ঠের দাবদাহের…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেআইনি…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই তৃণমূল…