করোনা আবহে সুরক্ষিত থাকার কারণে চলতি বছরের তৃতীয় মাস থেকেই চলছে ওয়র্ক ফ্রম হোম। আর সেই নিয়ে যেন কর্মীদের আক্রোশ ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। সারাদিন ভিডিও কনফারেন্স, অনলাইন মিটিং করতে করতে অনেকেই অবসাদে ভুগতে শুরু করেছেন। বাড়িতে থেকে অফিস ও ব্যক্তিগত জীবনের সময় কাটানোর মধ্যে ফারাক করতে পারা যাচ্ছে না। নাওয়া খাওয়া সব মিলেমিশে একাকার, অন্য দিকে প্রতিদিন ক্লায়েন্টের চাপ। যাকে বলে WFH IS THE NEW WTF!!
মাইক্রোসফ্ট-এর তরফে সম্প্রতি একটি ওয়ার্ক ট্রেন্ড রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে বিগত ছয় মাস ধরে অবসাদ ও এক অতিরিক্ত মাত্রার ক্লান্তিতে ভুগছেন ভারতের প্রায় এক তৃতীয়াংশ কর্মী। ভারত, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া,জাপানসহ আটটি দেশের ছয় হাজার কর্মীর পাশাপাশি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এখানকার কর্মীরা সব চেয়ে বেশি সমস্যা, ক্লান্তি বা অবসাদের শিকার।
দিন রাত ঘরে বসে থাকা আর মেশিনের সামনে বসে কাজ করার ফলে সমস্যা বাড়ছে। এছাড়াও ক্রমবর্ধমান এই অবসাদের কারণ হল পেশাগত কাজ ও ব্যক্তিগত সময় গুলিয়ে ফেলা। আগের থেকে প্রত্যেকের জীবন যাত্রাও বদলে গেছে, বদলে গেছে ঘুমের সময়।
তার মাঝেই ভারতের প্রায় ২৩ শতাংশ কর্মীদের কথায়, ওয়র্ক ফ্রম হোমে কাজের থেকে বেশি সময় নানা কনফারেন্স ও মিটিংয়েই কাটছে। দিনে বশির ভাগ সময় ক্লায়েন্টের ফোন আর কাজের চাপে আগের থেকেও বেশি বিরক্ত হয়ে পড়েছে মানুষ জন। সময়ের অভাবে নিজেদের অযথা ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…