মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও হাজির ছিলেন তিনি। আবার সরকার পরিবর্তনের পর সমাজমাধ্যমে বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দীর্ঘ বার্তাও পোস্ট করলেন। আর সেই থেকেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে— অভিনেতা জিৎ কি এ বার সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখতে চলেছেন?
শনিবার আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিৎ জানিয়েছিলেন, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন। তবে রবিবার তাঁর সমাজমাধ্যম পোস্টে বিজেপি সরকারের প্রতি সমর্থনের সুর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছে টলিউডের একাংশ।
নিজেকে বরাবরই ‘অরাজনৈতিক’ বলে দাবি করে এসেছেন জিৎ। কিন্তু তাঁর সাম্প্রতিক পোস্ট ঘিরে সেই দাবি নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জোরালো হয়েছে আরও একটি গুঞ্জন— দেব যদি রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে সরে দাঁড়ান, তা হলে কি তাঁর জায়গায় নতুন মুখ হিসাবে উঠে আসতে পারেন জিৎ?
সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া পোস্টে জিৎ লিখেছেন, “এই বিজয় ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য এক অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এটা শুধু একটি রাজনৈতিক জয় নয়, মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার।” এর পরেই বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশার কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা। যদিও কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি তিনি। জিতের কথায়, “দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার গৌরব, অস্মিতা, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার ঐতিহ্যকে যে ভাবে বিশ্বের চোখে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনার।”
তিনি আরও লেখেন, “আজ আমি আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বাংলার জন্য এক নতুন সকাল, এক নতুন আলোর দিশা নিয়ে আসবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘মোদী গ্যারন্টি’— সেই কথার উপর আজ কোটি কোটি মানুষের আশা ও বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে।” শেষে ‘জয় হিন্দ’ লিখে নিজের বক্তব্য শেষ করেন অভিনেতা। আর সেই কারণেই অনেকের মতে, এই পোস্টকে শুধুমাত্র ‘অরাজনৈতিক’ মন্তব্য বলে ব্যাখ্যা করা কঠিন।
জিতের এই পোস্ট ঘিরে টলিউডে আর একটি জল্পনাও তৈরি হয়েছে। চলতি মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা তাঁর নতুন ছবি ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’। ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন বিপ্লবী অনন্ত সিংহ, আর সেই চরিত্রেই অভিনয় করেছেন জিৎ। তাই অনেকের প্রশ্ন, দেশাত্মবোধক আবহে বিজেপি সরকারের প্রশংসা করে দেওয়া এই বার্তা কি শুধুই রাজনৈতিক অবস্থান, না কি আসন্ন ছবির প্রচারের কৌশলও বটে?
অন্য দিকে অভিনেতা দেব ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে তিনি অভিনয়েই বেশি মন দিতে চান এবং রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আর জড়াতে চান না। সেই পরিস্থিতিতে জিতের নাম ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা আরও জোরাল হয়েছে। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি জিৎ। ফলে তিনি সত্যিই রাজনীতিতে আসছেন কি না, তার উত্তর আপাতত সময়ের হাতেই তুলে দিয়েছে টলিউড।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…