শহরের ব্যস্ত রাস্তায় যাত্রীদের সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিল জিও। ২০২৫ সালে জিও ইলেকট্রিক স্কুটারের আত্মপ্রকাশ হয়েছে, যা ভারতের ইলেকট্রিক টু-হুইলার মার্কেটে সংস্থাটির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবেই ধরা হচ্ছে।
এই নতুন ই-স্কুটারটির বেস মডেলের দাম রাখা হয়েছে মাত্র ₹৩৯,৯৯৯, যা এই বিভাগের মধ্যে অন্যতম সস্তা বিকল্প। ফলে যারা কম খরচে আধুনিক ও স্মার্ট যানবাহন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ পছন্দ।
নতুন জিও ইলেকট্রিক স্কুটারে থাকছে একটি ৪৮ ভোল্ট লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি, যা একবার চার্জে প্রায় ৮০ কিমি পথ চলতে সক্ষম। এর টপ স্পিড ঘণ্টায় ২৫ কিমি, যা ভারতীয় আইনি সীমার মধ্যে থেকেও শহরের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য যথেষ্ট।
চার্জিং-এর ক্ষেত্রেও সুবিধা দেওয়া হয়েছে—মাত্র ৩ ঘণ্টায় ব্যাটারিটি সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যায়। ফলে রাতের চার্জে পরের দিনের যাত্রা নিশ্চিন্ত। এছাড়াও স্কুটারটিতে রয়েছে ডিজিটাল ডিসপ্লে, এলইডি হেডলাইট, রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এবং একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে স্মার্ট কানেক্টিভিটি।
ডিজাইনের দিক থেকেও আকর্ষণীয়—এতে ব্যবহৃত হয়েছে হালকা অ্যালয় ফ্রেম এবং ২৬ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল। রঙের ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে পাওয়া যাবে পার্ল হোয়াইট এবং ভাইব্র্যান্ট ব্লু।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের বড় শহরগুলিতে জিও-র রিটেল স্টোরে পাওয়া যাবে এই মডেল। এছাড়াও অনলাইন বুকিং-এর সুবিধা থাকবে জিওমার্ট প্ল্যাটফর্মে।
১. জিও ইলেকট্রিক স্কুটারটির দাম কত?
বেস মডেলের দাম ₹৩৯,৯৯৯ রাখা হয়েছে।
২. একবার চার্জে কত দূর যেতে পারে স্কুটারটি?
একবার চার্জে স্কুটারটি ৮০ কিমি পর্যন্ত যেতে পারে।
৩. ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হতে কত সময় লাগে?
স্ট্যান্ডার্ড চার্জার দিয়ে ৩ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যায়।
৪. কোন রঙে এই স্কুটারটি পাওয়া যাবে?
পার্ল হোয়াইট এবং ভাইব্র্যান্ট ব্লু রঙে এটি উপলব্ধ থাকবে।
৫. কোথা থেকে স্কুটারটি কেনা যাবে?
জিও রিটেল স্টোর ও জিওমার্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এটি পাওয়া যাবে।
এই নতুন মডেলের মাধ্যমে জিও তার পরিবেশ-বান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের দিকে এক দৃঢ় পদক্ষেপ ফেলল। কম দামে স্মার্ট ফিচার ও আধুনিক ডিজাইন এই স্কুটারকে করে তুলতে পারে ইলেকট্রিক বাজারের অন্যতম প্রতিযোগী।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ভারত সরকার দেশের বিভিন্ন মন্দিরে জমা…
ভারতীয় রেলওয়েতে ফের একটি ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা সামনে আসতেই যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ…
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের ডিএ (Dearness Allowance) এবং সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে।…
কলকাতার ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম পার্ক সার্কাস রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশন চত্বর ঘিরে বেআইনিভাবে বসে…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ…
পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস পরিষেবা চালু হওয়া নিয়ে সম্প্রতি জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ…