আইপিএল ২০২৬-এ একেবারে সিনেমার মতো নাটকীয় ম্যাচে শেষ হাসি হাসল কলকাতা নাইট রাইডার্স। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সুপার ওভারে জয় তুলে নেয় কেকেআর। তবে ম্যাচের শেষে কার্তিক ত্যাগীর দুই ‘বিমার’ বল ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। অনেক ক্রিকেটপ্রেমীই আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৫৫ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টসও ২০ ওভার শেষে একই স্কোরে পৌঁছে যায়। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে শেষ পর্যন্ত জয় পায় কলকাতা।
লখনউ যখন রান তাড়া করছিল, তখন ১৯ ওভার শেষে তাদের স্কোর ছিল ১৩৯। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৭ রান। কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে বল তুলে দেন কার্তিক ত্যাগীর হাতে। ওভারের দ্বিতীয় বলেই ত্যাগী একটি ‘বিমার’ দেন, যা সঙ্গে সঙ্গে নো বল ঘোষণা করা হয়। পরের বলেও তিনি একই ভুল করেন। ফলে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে—তাহলে কি তাঁকে বল করা থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে?
সাধারণত বিপজ্জনক ফুল টস বা ‘বিমার’ বারবার করলে বোলারকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে এই ম্যাচে দ্বিতীয় বলটি আম্পায়াররা ‘ডেঞ্জারাস’ ক্যাটেগরিতে ফেলেননি। লাইভ কমেন্ট্রিতে জানানো হয়, দ্বিতীয় বলটি আসলে পুরোপুরি বিপজ্জনক বিমার ছিল না, বরং ফুল-টস হিসেবে ধরা হয়। সেই কারণেই আম্পায়াররা আলোচনা করে কার্তিক ত্যাগীকে বল চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।
ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও বোলার বিপজ্জনক উচ্চতার ফুল-টস (বিমার) দেন, তাহলে তা নো বল হয় এবং আম্পায়ার সতর্ক করতে পারেন। একই ইনিংসে একাধিক বিপজ্জনক ডেলিভারি হলে বোলারকে সরিয়েও দেওয়া হতে পারে। তবে প্রতিটি বলের বিচার আলাদাভাবে করা হয়। অনেক সময় আম্পায়ারদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথেও প্রভাব ফেলে। তাই এমন পরিস্থিতিতে নিয়মের সঠিক ব্যাখ্যা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ম্যাচে কেকেআরের জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে রিংকু সিং। তিনি ৫১ বলে ৮৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও ৪টি ক্যাচ নেন। সুপার ওভারেও প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন রিংকু। তাঁর এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ম্যাচের চাপের মুহূর্তে তাঁর এই নির্ভীক ব্যাটিং দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনেকেই ইতিমধ্যেই তাঁকে ‘ম্যাচ উইনার’ হিসেবে আখ্যা দিতে শুরু করেছেন।
ভারতে আধার কার্ড বর্তমানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে সরকারি প্রকল্প—প্রতিটি ক্ষেত্রেই আধারের প্রয়োজনীয়তা…
ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় নিয়ম ভাঙলে কোনও রকম ছাড় নেই—এ বার সেই বার্তাই আরও একবার স্পষ্ট…
আপনি যদি Vodafone Idea (Vi)-এর সিম ব্যবহার করেন এবং বেশি ডেটা প্রয়োজন না হয়, কিন্তু…
রাজ্যে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) ইস্যুতে এখনও টানাপোড়েন চলছে। এদিকে সম্প্রতি মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করেছে…
ভারতের শীর্ষ টেলিকম সংস্থা Reliance Jio আবারও গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে এসেছে। যারা…
ভারতের টেলিকম সেক্টর ক্রমশ উন্নতির পথে এগোচ্ছে। Telecom Regulatory Authority of India (TRAI)-এর সর্বশেষ রিপোর্ট…