কলকাতা ও তার আশপাশের জেলার যানজট সমস্যা কমাতে বড় পরিকল্পনা সামনে এসেছে। রাজ্যের নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে কলকাতাকে ঘিরে একটি বিশাল রিং রোড তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শহরের কেন্দ্রীয় অংশে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত রিং রোডের মূল লক্ষ্য হলো কলকাতার ভেতরে না ঢুকেই বিভিন্ন জেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা। বর্তমানে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বহু যানবাহনকে কলকাতার বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। রিং রোড তৈরি হলে সেই যানবাহনের বড় অংশ শহরের কেন্দ্র এড়িয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।
এই প্রকল্প কার্যকর হলে প্রধানত উপকৃত হতে পারে—
ফলে জেলার মধ্যে পণ্য পরিবহণ, দৈনন্দিন যাতায়াত এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও দ্রুত হতে পারে।
প্রাথমিক আলোচনায় যেসব এলাকার নাম উঠে এসেছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে—
এই রুটগুলিকে সংযুক্ত করে কলকাতা মহানগর এলাকার চারপাশে একটি বৃত্তাকার সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে হুগলি নদীর উপর নতুন একটি সেতু নির্মাণ। প্রাথমিকভাবে বজবজ ও মহেশতলা সংযোগকারী একটি নতুন নদী পারাপার ব্যবস্থা তৈরির চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। এই সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে হাওড়া ও হুগলির যোগাযোগ আরও সহজ হতে পারে।
রিং রোড প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে—
তবে এই মুহূর্তে প্রকল্পটি প্রস্তাবের স্তরেই রয়েছে। এখনও রুট, জমি অধিগ্রহণ, ব্যয় এবং নির্মাণের সময়সীমা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি। বিস্তারিত সমীক্ষা এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের পরই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হবে। যদি এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, তাহলে কলকাতা মহানগর অঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী চার জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গে ধাপে ধাপে প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন…
মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক…
রাজ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পকে ঘিরে উৎসাহ ক্রমশ বাড়ছে। শুরুতে ১২ পাতার আবেদনপত্র দেখে অনেকেই উদ্বেগ…
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং মূল্যবান ধাতুর চাহিদা বৃদ্ধির জেরে আবারও বেড়েছে সোনা ও রুপোর দাম। কয়েকদিনের…
জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে রাজ্য প্রশাসন। অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের…
রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব কমানোকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক…