জ্বালানি নিয়ে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি দেশের মানুষের জীবনে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মাঝেও যাতে দেশে পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। তবে আতঙ্কে এখনও অনেক মানুষ গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করতে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। এই সমস্যারই সমাধান করতে নতুন বার্তা দিল কেন্দ্র।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, এখন আর সিলিন্ডার বুকিংয়ের জন্য ডিস্ট্রিবিউটরের দোকানে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজেই বাড়িতে বসেই বুকিং করা যাবে। ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড চালুর ফলে গ্যাস সরবরাহের প্রক্রিয়া অনেক বেশি স্বচ্ছ ও দ্রুত হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যেখানে এই ব্যবস্থার ব্যবহার ছিল প্রায় ৫৩ শতাংশ, তা এখন বেড়ে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ৫ কেজির ছোট এলপিজি সিলিন্ডারের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৯০ হাজারেরও বেশি ছোট সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এই সিলিন্ডার কিনতে কোনও ঠিকানার প্রমাণপত্র লাগবে না। শুধু একটি বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়েই নিকটবর্তী ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সহজে কেনা যাবে।
এলপিজির পাশাপাশি পিএনজি (পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস) সংযোগেও বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩.৬ লক্ষ নতুন পিএনজি সংযোগ চালু হয়েছে। এছাড়াও, নতুন সংযোগের জন্য ইতিমধ্যেই ৩.৯ লক্ষেরও বেশি গ্রাহক রেজিস্ট্রেশন করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে বিদেশ মন্ত্রক। কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় জাহাজের সঙ্গে বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। ডিরেক্টর জেনারেল অফ শিপিং-এর তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যেই ১৪৭৯ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য বিমান পরিষেবাও ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭ লক্ষ ২ হাজার যাত্রী পশ্চিম এশিয়া থেকে ভারতে ফিরেছেন।
সব মিলিয়ে, গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি দিতে ডিজিটাল পদ্ধতিকে আরও জোরদার করছে কেন্দ্র। লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা কমিয়ে সাধারণ মানুষের সময় ও পরিশ্রম বাঁচানোই এখন মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এই পরিষেবা আরও দ্রুত ও নির্ভুল করতে নতুন প্রযুক্তি আনার পরিকল্পনাও করছে সরকার। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে জ্বালানি সংক্রান্ত সমস্যাও অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার উপর ভরসা বাড়লে পরিষেবার মানও আরও উন্নত হবে।
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেআইনি…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই তৃণমূল…
বর্তমান সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নিয়মিত আয়ের সুযোগ খুঁজছেন অনেকেই। শেয়ার বাজার বা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে…
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নাজেহাল বাংলা। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়…
দেশের বাজারে সোনা ও রুপোর দামের ওঠানামা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিয়ের…
রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে দীর্ঘদিন ধরে শূন্যপদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ…