করোনা সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউতে নাজেহাল গোটা ভারতবাসী। এই কঠিন সময়ে প্রত্যেকটি রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত নড়ে গেছে। দেশের সবকটি রাজ্যের মত বেহাল দশা বাংলাতে। প্রায় প্রতিদিন এই রাজ্যে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বারংবার অভিযোগ আসছে যে বাংলার হাসপাতালগুলিতে রোগীদের ভর্তি হওয়া নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। করোনার উপসর্গ থাকলেও রিপোর্ট না থাকার কারণে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। এদিকে রিপোর্ট করাতে গেলে বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছে করোনা আক্রান্ত রোগীরা। এই সমস্যার সমাধান করতে আজ নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে আজ অর্থাৎ শনিবার একটি লিখিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে যে এবার থেকে করণা উপসর্গ থাকলেই রোগীকে ভর্তি নিতে হবে হাসপাতালে। তারা জানিয়েছে করোনা উপসর্গ নিয়ে কোনো রোগী হাসপাতালে এলে তাকে সিভিয়ার রেস্পিরেটরি ইলনেস ওয়ার্ডে ভর্তি করে নিতে হবে। তারপর রেপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে। তারপর তার আরটি পিসিআর টেস্ট হবে এবং তাতে পজিটিভ এলে তাকে কোভিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করতে হবে।
এছাড়াও স্বাস্থ্য দপ্তরের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী হাসপাতালে যাওয়ার পর যদি কোনো করোনা রোগীকে ওই হাসপাতলে ভর্তি না করে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকে অন্য হাসপাতলে রোগীর জন্য শয্যার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এই নিয়ম চালু হয়ে গেলে আর রোগীদের বেড পেতে বা একদিক থেকে অন্যদিকে রোগী নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ৩১ মার্চের মধ্যেই মিটিয়ে…
আইপিএলের প্রথম ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। একের পর এক চোট সমস্যায়…
আন্তর্জাতিক বাজারের টানাপোড়েন আর ডলারের ওঠানামার মাঝে আবারও নাটকীয় মোড় নিল সোনার দাম। ২৯ মার্চ…
আগামী দু’বছরে সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের সামনে বড় তিনটি মঞ্চ—২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ, ২০২৮…
যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানির বাজারে। বিশ্বজুড়ে এলপিজি সঙ্কটের আশঙ্কার মধ্যেই সাধারণ মানুষের…
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। ২০১৬ থেকে…