অরূপ মাহাত: সাধারণ মানুষের জন্য ওষুধপত্রের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জন ঔষধি প্রকল্পের সূচনা করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৯০ শতাংশ কম দামে প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাবে। এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে। এই জন ঔষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্য করে তোলা হয়েছে। প্রতিটি ন্যাপকিনের ১ টাকা ধার্য করা হয়েছে। বর্তমানে যা ২.৫০ টাকা।
দেশ জুড়ে প্রায় ৫,৫০০ টি জন ঔষধি কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছে মোদী সরকার। প্রতিটি গ্রামে এই ওষুধ কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রয়াস করা হবে বলে সূত্রের খবর। যে কোন ভারতীয় নাগরিক এই জন ঔষধি কেন্দ্র খুলতে পারবে। যে পেশার সাথে যুক্ত ব্যক্তি, হাসপাতাল কর্মী, বেসরকারি কর্মী, ফার্মাসিস্ট, চিকিৎসক প্রত্যেকেই এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন। বিভিন্ন অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষেরা এই দোকান খুলতে চাইলে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম পাবে। এই প্রকল্পে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করা যাবে।
পাওয়া যাবে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সরকারি সুবিধা। ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্পে ১২ মাসের বিক্রিতে ১০ শতাংশ ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে। যা সর্বোচ্চ প্রায় ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। দেশের উত্তর পূর্ব রাজ্য, নকশাল অধ্যুষিত এলাকা, আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হবে। যা সর্বাধিক ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে৷
ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্পে দোকান খুলতে গেলে যে সমস্ত কাগজপত্র দরকার সেগুলি হল প্যানকার্ড, আধারকার্ড, বিশেষ মান্যতাপত্র৷ এবং প্রয়োজন ১২০ বর্গমিটার জায়গা প্রয়োজন।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…