গতকাল সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ সুজন সামন্তের রক্তাক্ত দেহ পাওয়া যায় যাদবপুরের সুবর্ণজয়ন্তী ভবনের কাছ থেকে। বাবার সঙ্গে মোবাইলে ভিডিও কলে কথা বলতে বলতেই তিনি ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন। একেবারে মরণঝাঁপ। পরে অবশ্য তাকে বাঙুর হাসপাতাল এ নিয়ে যাওয়া হলে তাকে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে উদ্ধার করা হয় তার রক্তাক্ত দেহ তার আসল বাড়ি আসানসোলে। তবে এমনভাবে মৃত্যুতে রহস্য দানা বেঁধেছে সকলেরই মনে পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে। এটি দুর্ঘটনা না আত্মহত্যা? আগামী জানুয়ারি মাসে তার পরীক্ষা শুরু। সেখান থেকেই মানসিক অবসাদের উৎপত্তি না, পা পিছলে পড়ে যাওয়া এই বিষয়ে তদন্তে নামবে পুলিশ।
আবারো চলে গেল একটি তরতাজা প্রাণ। ভিডিও কলে বাবার সাথে কথা বলতে বলতে মরণঝাঁপ। যদি মানসিক অবসাদ থেকে এই ঘটনা ঘটে থাকে, তবে তো প্রশ্ন উঠতেই পারে যে কেন প্রথম বর্ষের এই ফুটফুটে তাজা প্রাণ এই বয়সে মানসিক অবসাদে ভুগবে? তার কারণ হতে পারে কি মা-বাবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…