বর্তমানে এমন অনেক বাড়ি রয়েছে যেখানে এখনো পর্যন্ত গ্যাস পৌঁছায়নি। তাদের কথা মাথায় রেখেই ২০১৬’র ১’লা মে মোদী সরকার উজ্জ্বলা প্রকল্প শুরু করেছিল। এটি কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রকল্প নিয়ে সমস্ত তথ্য নিয়ে নিম্নে আলোচিত হল।
এই প্রকল্পের অধীনে থাকা সমস্ত বিপিএল ও এপিএল কার্ডধারী পরিবারের মহিলাদের ১৬০০ টাকার আর্থিক সহায়তা করা হবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। চলতি বছরেই সমস্ত দরিদ্র বিপিএল ও এপিএল কার্ডধারীদের ঘরে ঘরে এই উজ্জ্বলা গ্যাস পৌঁছে যাবে। আর এই গ্যাস পাওয়ার জন্য বাড়ির মেয়েদের বয়স অন্তত ১৮ বছরের উপরে হতে হবে।
গতবুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে তেলেঙ্গানায় ফরেস্ট গডের নামে সেন্ট্রাল ট্রাইবাল ইউনিভার্সিটি খোলার অনুমোদনও দিয়েছে। আর এই উপজাতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হবে ‘সাম্মাক্কা সারাক্কা কেন্দ্রীয় উপজাতি বিশ্ববিদ্যালয়’। এটি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৯-এর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের অনুমোদন করা হয়েছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে ৮৮৯ কোটি টাকা খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার।
এখন থেকে এই প্রকল্পের অধীনে থাকা গ্রাহকদের ভর্তুকি বাড়বে। ২০০-র পরিবর্তে মিলবে ৩০০ টাকা। ৭০০ নয় এবার থেকে ৬০০ থেকেই মিলবে গ্যাস। ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার এতদিন ৭০৩ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল। এখন থেকে সেটি ৬০৩ টাকাতেই পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, হলুদ বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে মন্ত্রীসভার বৈঠকে। এই বোর্ডের সূত্র ধরে হলুদজাত পণ্যের উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে রপ্তানির জন্য ৮৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এই সরকারি মন্ত্রীসভার বৈঠকে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দাদরা, নগর হাভেলি, দমন ও দিউ এবং লক্ষদ্বীপের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বৈঠকে। পাশাপাশি তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশে কৃষ্ণা জল বিরোধ ট্রাইব্যুনাল ২ (KWDT-II)-এর জন্যও একাধিক শর্তাবলী তোলা হয়েছে। কৃষ্ণা নদীর জলের ব্যবহার, বন্টন ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এই প্রস্তাব উভয় রাজ্যের উন্নয়নের জন্যই নতুন পথ খুলে দেবে ভবিষ্যতে।
উদ্দেশ্য-
গরিব ঘরের মেয়েদের জীবন ধুঁয়া মুক্ত করতে এই প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল। অপরিষ্কার জ্বালানি থেকে দূরে রাখতেই এই প্রকল্প শুরু করেছিল মোদী সরকার। গ্যাসের ব্যবহার যে মেয়েদের ও শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ও যথেষ্ট ভালো তা বলাই বাহুল্য।
যোজনার সুবিধাভোগীরা-
১) এসইসিসি ২০১১-র অধীনে থাকা সকল ব্যক্তি।
২) সমস্ত গ্রামীণ আবাস যোজনার এসসি ও এসটি পরিবারের লোকেরা।
৩) দারিদ্র সীমার নীচের সমস্ত মানুষরা।
৪) অনগ্রসর শ্রেণীর লোকজন।
৫) চা বাগানের উপজাতিরা
৬) দ্বীপে বসবাসকারী মানুষ।
সুবিধা-
১) দেশের সমস্ত দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা ব্যক্তিদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে।
২) এই প্রকল্পের আওতায় থাকা সমস্ত ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব মহিলাদের ২০২৩ সালে বিনামূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
৩) এই প্রকল্পের সূত্র ধরে মহিলাদের রান্না করা আরো অনেক বেশি সুবিধা হয়ে যাবে।
৪) এই প্রকল্পের লক্ষ্য ৪ কোটি গরীব ঘরে এই গ্যাসের সংযোজন দেওয়া।
৫) যারা এই প্রকল্পের আবেদনকারী তাদের আবশ্যিকভাবে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরী।
প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে একটি ফর্ম বার করে নিতে হবে তারপরে সেই ফর্ম নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, আধার কার্ড নম্বর সহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে নিকটতম গ্যাস এজেন্সিতে গিয়ে সেই ফর্ম জমা দিয়ে আসতে হবে। সেটি জমা দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই বাড়িতে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…