রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কমিশন গঠনের ইতিহাস দেখলে বোঝা যায়, বাম আমলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বেতন কমিশন গঠিত হয়েছিল। তৃণমূল সরকারের নীতি সেই ধারাকেই অনুসরণ করছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রথমবার ১৯৬০ সালে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের জন্য পে কমিটি গঠন করেছিল। তখন ১০০ পয়েন্ট মূল্যসূচক ধরে গ্রুপ-ডি কর্মচারীর বেতন ছিল ৬০-৭৫ টাকা, সচিবালয়ের করণিকদের বেতন ১৫০-২৫০ টাকা এবং ডিরেক্টর দপ্তরের করণিকদের বেতন ১২৫-২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এরপর প্রথম বেতন কমিশন গঠিত হয় ১৯৭১ সালে। এরপর ক্রমান্বয়ে—
– দ্বিতীয় বেতন কমিশন: ১৯৮১
– তৃতীয় বেতন কমিশন: ১৯৯০
– চতুর্থ বেতন কমিশন: ১৯৯৮
– পঞ্চম বেতন কমিশন: ২০০৯
– ষষ্ঠ বেতন কমিশন: ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর
বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় বেতন পাচ্ছেন, যার ভিত্তিতে বর্তমানে তাঁদের ডিএ ১৪ শতাংশ। এপ্রিল থেকে আরও ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এবারের রাজ্য বাজেটে ডিএ বৃদ্ধির কথা বলা হলেও সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা হয়নি। অন্যদিকে, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করেছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ৫৩ শতাংশ ডিএ পাচ্ছেন এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তাঁরা অষ্টম বেতন কমিশনের আওতায় চলে আসবেন।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কবে সপ্তম বেতন কমিশন ঘোষণা করবে?
রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন…
ব্যাঙ্কে কোনও জরুরি কাজ রয়েছে? তাহলে আর দেরি না করে দ্রুত সেরে ফেলুন। কারণ আগামী…
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে ফের বড় ধাক্কার মুখে ভারতীয় মুদ্রা। সোমবার বাজার…
পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার সাধারণ মানুষের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বিদ্যুতের বিল। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম…
শিয়ালদহ ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের জন্য এলো বড় সুখবর। যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পূর্ব…
ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফের সামনে উঠে এল গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গ। শেখ…