সোমনাথ বিশ্বাস: বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা আমরা প্রায়ই খবরে শুনি। বিশেষত কয়েকদিন আগেই বেশ কয়েকজন বজ্রপাতে মারা যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এই বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কিছু সাধারণ কৌশল অবলম্বন করলেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সেগুলো সম্বন্ধে একটি সাধারণ ধারণা থাকা উচিত সকলেরই। দেখে নিন।
বজ্রপাতের সময় কখনোই খোলা বা উঁচু কোনো জায়গায় থাকা যাবে না। বিশেষত বড় কোনো গাছের নীচে বা উঁচু কোনো খুঁটির নীচে তো একদমই থাকা উচিত নয়। সবচেয়ে ভালো কোনো পাকা দালানে থাকলে সুরক্ষিত থাকা যায়।
বজ্রপাতের সময় ঘরে থাকলে জানলার কাছে একদমই থাকা উচিত না। জানলার থেকে দূরে থাকাই সবচেয়ে ভালো। আর বাড়ির ছাদে যাওয়া তো একদমই উচিত না।
বজ্রপাতের সময় বাড়ির লোহার জিনিস, খোলা তার এমনকি ল্যান্ডলাইনের তার স্পর্শ করা যাবে না কোনোভাবেই। বাড়ির সমস্ত ইলেকট্রিক জিনিসই বন্ধ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে, নয়তো খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বজ্রপাতের সময় কোনো জমা জলে হাত দেওয়া একদমই উচিত নয়। কারণ জল তড়িতের সুপরিবাহী হওয়ার জন্যে এতে তড়িৎ থেকে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতো বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতো সবচেয়ে নিরাপদ বা শুকনো কিছুর উপর থাকা যেতে পারে।
বজ্রপাতের সময় মাটিতে শুয়ে পড়া একদমই উচিত নয়। মাটিতে বিদ্যুৎ থাকতে পারে, ফলে মাটিতে শুয়ে পড়াটা খুবই ঝুঁকির হয়ে যাবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…