২০ এপ্রিলের পর বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় মিলতে পারে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই শর্ত থাকবে। করোনার জন্য কার্যত দেশের অর্থনীতি ক্রমশ নিচের দিকে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজেও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সেই সমস্ত দিক বিচার করেই কেন্দ্রের তৈরি গাইডলাইনে যে বিষয়গুলিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল-
১) ২০ এপ্রিলের পর থেকে সংক্রমিত এলাকা বাদে বাকি এলাকাগুলিতে কৃষিক্ষেত্রে ছাড় মিলবে।
২) কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদন, কৃষি সম্পর্কিত শিল্পে ও ছাড় দেওয়া হবে।
৩) স্থানীয় স্তরে ফসল বিক্রি ও অনুমোদিত কিষাণ মান্ডির মাধ্যমে ফসল বিক্রিতেও ছাড় পাওয়া যাবে।
৪) দুগ্ধ সরবরাহ, দুধ বিক্রি প্রভৃতি ক্ষেত্রে ছাড় মিলেছে।
৫) চা ও কফি চাষের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে।
৬) মৎস্য চাষ ও পোল্ট্রি ফার্মের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
৭) এছাড়া খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, সেচ প্রকল্প, রাস্তা তৈরী, ১০০ দিনের কাজ, কুটির শিল্পগুলিতে ছাড় মিলবে।
৮) শহরের বেশ কিছু শিল্প কারখানায় ছাড় দেওয়া হবে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষ শর্ত থাকবে। সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।
৯) তথ্য প্রযুক্তি এবং ই-কমার্স সেক্টরগুলিতে আংশিক ছাড় দেওয়া হবে।
১০) রাবার চাষের ক্ষেত্রে ও উদ্যান পালনের ক্ষেত্রেও ছাড় দেবে কেন্দ্র।
এইগুলি ছাড়া বাকি সমস্ত ক্ষেত্রে পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। আর সারা দেশ জুড়েই মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যত্রতত্র থুতু ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…