করোনার দ্বিতীয় আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে গোটা ভারতবাসী। এরমধ্যে আগেভাগে সাবধান হয়েছে ভারতের পড়শি বাংলাদেশ। যাতে না বর্ডার টপকে করোনা আমদানি হয় তার ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তারা আগামী দুই সপ্তাহের জন্য ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৬ এপ্রিল থেকে আগামী ৯ মে পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ থাকবে। এছাড়া গত ১৪ এপ্রিল থেকে এমনিতেই দু’দেশের মধ্যে উড়ান পরিষেবা বন্ধ আছে। এইসময় বৈধ ভিসা পাসপোর্ট থাকলেও সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করা যাবে না।
আসলে ভারতের করোনা পরিস্থিতি দিনের পর দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। প্রতিদিন দৈনিক সংক্রমনের গগনচুম্বী রূপ দেখলে গা শিউরে ওঠে। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ। এরপরেও এই মিউট্যান্ট স্ট্রেন যে আরও ভয়ঙ্কর হবে তা বোঝাই যাচ্ছে। তাই আগে থাকতে সাবধান হতে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর একে আব্দুল মোমেন ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে এখন কিছুদিনের জন্য বাংলাদেশ ভারতের কেউ প্রবেশ করতে পারবে না বা বাংলাদেশ থেকেও কেউ ভারতে আসতে পারবে না। তবে চলবে ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজ। কিন্তু হঠাৎ সিদ্ধান্তে ঘটেছে বিপত্তি।
বাংলাদেশ সরকারের হঠাৎ এই ঘোষণায় বিপাকে পড়েছে বহু মানুষ। অনেকেই বিভিন্ন কাজের সূত্রে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে থাকে। বর্ডার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা অসহায় হয়ে পড়েছে। পেট্রোপোল সীমান্তে বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছে। অনেকেই বলেছে বর্ডার বন্ধ হবার কিছু দিন আগে অন্তত জানানো দরকার ছিল বাংলাদেশ সরকারের।
ভারতীয় রেলওয়েতে ফের একটি ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা সামনে আসতেই যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ…
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের ডিএ (Dearness Allowance) এবং সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে।…
কলকাতার ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম পার্ক সার্কাস রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশন চত্বর ঘিরে বেআইনিভাবে বসে…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ…
পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস পরিষেবা চালু হওয়া নিয়ে সম্প্রতি জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ…
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে নতুন করে জোরালো আলোচনা…