বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাংলায় ভোট প্রচারে এসে বর্তমান সরকার এর” বাঙালি “ভাবমূর্তির উপর আঘাত হেনেছেন বারং বার দুর্গা পুজো প্রসঙ্গে। বাংলার সবচেয়ে বড় ঐতিহ্য এটি তাই রাজনৈতিক নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সময় লাগেনি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কে দুর্গা পুজোর অনুমতি না দেওয়া সংক্রান্ত ব্যাপার এ কাঠগোড়ায় এনেছেন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিগত 5বছরে বাংলা তাদের শক্তি বৃদ্ধি দেখেছে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভাবনীয় ফল করেছে বিজেপি।তাই এবার বাঙালির সবচেয়ে বড়ো উৎসবে সামিল তারা, এবার তারা দুর্গা পুজোর উদ্যোক্তা কমিটিতে রয়েছেন বিভিন্ন ছোট বড়ো পুজো কমিটিতে।
38বছর এর সিপিএম নেতারা পুজো সম্পর্কে উদাসীন ছিলেন। তবে বর্তমান তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই বিভিন্ন বড়ো পুজো কমিটির সদস্য তার নেতারা। এবারও তাই ,বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি উদ্যোগে বিসর্জনে কার্নিভাল প্রচলন করেছেন।
এবার বঙ্গ বিজেপি একই কৌশলে বিভিন্ন পুজো কমিটিতে,বাঙালির মন জয় করতে,রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন তিনি নিজে পুজো উদ্বোধন করবেন।
দরকার হলে কেন্দ্র কে বলে স্পন্সরশিপ পাইয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা হবে। উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি দীনেশ পান্ডে জানান সমস্ত স্তরের নেতারা পুজো কমিটির সাথে যোগাযোগ রাখছে ।
পাড়ার পুজো গুলিতে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে বিজেপি নেতাদের , যাদের যোগাযোগ ছিলনা ক্লাব গুলি থেকে সেই বিজেপি নেতাদেরও ডাকা হচ্ছে ।এমন টাই জলপাইগুড়ি বিজেপি সভাপতির বক্তব্যে উঠে এসেছে। দুর্গা পুজো কে কেন্দ্র করে আবারো সামনা সামনি তৃণমূল ও বিজেপি।
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…
ভারতীয় অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট…
বিধানসভার স্বাক্ষর বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
রাজ্যের উন্নয়নমূলক ও সংস্কার প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।…
গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। শুক্রবার…
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…