গভীর নিম্নচাপ কাটিয়ে আস্তে আস্তে পরিষ্কার হতে শুরু করেছে কলকাতা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের আকাশ। তবে এখনই যে বৃষ্টিপাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলছে সেরকম কিছু নয়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আগামী ৪ কি ৫ দিন পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের আকাশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবেই এবং পাশাপাশি মেঘলা আকাশ থাকবে। তার সঙ্গেই তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কিছু কিছু জায়গায় আবার অতি ভারী বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের আকাশ কিন্তু এখনো পর্যন্ত মেঘমুক্ত হয়নি। মাঝেমধ্যে দু-এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল রাত্রে উত্তর ২৪ পরগনা এবং কলকাতার বেশ কিছু জায়গায় দু-এক পশলা বেশ ভারী বৃষ্টি হয়েছিল। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। বর্তমানে কলকাতা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বর্তমানে ৩৩.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে যদি আবহাওয়া পরিবর্তিত হয় তাহলে বৃষ্টিপাত যেমনভাবে কমবে ঠিক তেমনভাবে তাপমাত্রা বাড়বে গোটা পশ্চিমবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বর্তমানে একটি ঘূর্ণবাত অক্ষরেখা রয়েছে যা এখন কার্যকরী রয়েছে বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের দিকে। যদি এই ঘূর্ণবাত অক্ষরেখা উত্তর প্রদেশের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে তাহলে কিন্তু উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
উত্তরবঙ্গের একেবারে উত্তরের পাঁচটি জেলা যথা দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কোচবিহার কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার এই পাঁচটি জায়গায় সবথেকে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের মধ্যে কিছু জেলায়। এছাড়া উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির ফলে রাস্তায় ধ্বস নামার সম্ভাবনা রয়েছে। তিস্তার মতো বেশ কিছু নদীর জল স্তর বাড়তে পারে, ফলে সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন উত্তরবঙ্গের মানুষের।
কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং হাওড়া জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার আবার উপকূলের চারটি জেলা পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পাশাপাশি ঝারগ্রাম এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। এই বৃষ্টিপাতের কারণবশত মনে করা হচ্ছে, বর্তমানে আবার একটি মৌসুমী অক্ষরেখার সক্রিয় হতে শুরু করেছে। মালদহের উপর থেকে ত্রিপুরা পর্যন্ত এই অক্ষরেখা বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ দিকে আবারো একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা মোটামুটি এই মৌসুমী অক্ষরেখার দিকে এগোতে শুরু করেছে। যদি যথেষ্ট পরিমাণে জলীয়বাষ্প এই ঘূর্ণাবর্ত বহন করে নিয়ে আসতে পারে তাহলে কিন্তু বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ।
রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন…
ব্যাঙ্কে কোনও জরুরি কাজ রয়েছে? তাহলে আর দেরি না করে দ্রুত সেরে ফেলুন। কারণ আগামী…
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে ফের বড় ধাক্কার মুখে ভারতীয় মুদ্রা। সোমবার বাজার…
পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার সাধারণ মানুষের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বিদ্যুতের বিল। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম…
শিয়ালদহ ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের জন্য এলো বড় সুখবর। যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পূর্ব…
ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফের সামনে উঠে এল গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গ। শেখ…