‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে যেসমস্ত জনগন আর্থিকভাবে দুর্বল তাদের বাড়ি করে দিচ্ছে সরকার। কিন্তু অনেকে চালাকি করে বাড়ি সম্পূর্ণ না করেই রাজ্যের পাঠানো শেষ দু’তিন কিস্তির টাকা আত্মসাৎ করছেন। প্রতিবেশীরাও জানতে পারছেন না, বাড়িটি কে দিল, বা টাকাটা হঠাৎ তার কাছে কিভাবে এল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিটি জেলা মিটিংয়ে গিয়ে বাংলার বাড়ি নিয়ে দূর্নীর্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে বাড়ি পাবার যোগ্য সে পাবে, যে যোগ্য না সে পাবেনা।’ এবার থেকে রাজ্য সরকারের দেওয়া সরকারি বোর্ড লাগলে তবেই পাওয়া যাবে টাকা।
‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে তৈরি হওয়া বাড়িতে সরকারি লোগো সম্বলিত বোর্ড সহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি লাগিয়ে সম্পূর্ণ হওয়া বাড়ি ও ঘরের ছবি অনলাইনে পুর দফতরে পাঠাতে হবে। তারপর দফতরের অফিসাররা সরেজমিনে তদন্তে যাবেন সমস্ত নথি নিয়ে। সব যদি ঠিক থাকে তাহলে শেষ কিস্তির ৫৮ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই বোর্ডের মধ্যে কেনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি লাগানো থাকবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…