দুর্গাপুজোর আনন্দের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। প্যান্ডেল সাজ, আলোর বাহার, নতুন জামার শোরগোলের মধ্যেই ভর করে এল আবহাওয়ার দুশ্চিন্তা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বিশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পুজোর ক’দিন বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।
শুক্রবার বিকেলে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ষষ্ঠীর দু’দিন আগেই নতুন নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে বঙ্গোপসাগরে। তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলি বেশি বৃষ্টিপ্রবণ হবে। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত সক্রিয় নিম্নচাপরেখার কারণে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি চলছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আগামী দু’দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় দুপুরের পর বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা রয়েছে। মহালয়ার দিন অর্থাৎ রবিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে আকাশ রৌদ্রোজ্জ্বল থেকে আংশিক মেঘলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, উত্তর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এটি ২২ সেপ্টেম্বর নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে চলে আসতে পারে। তার ফলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নিম্নচাপ। যা ২৬ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। এই সময় কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ থাকবে মূলত মেঘলা, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩২ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরবে এবং মাঝেমধ্যেই নামতে পারে কয়েক পশলা বৃষ্টি।
হাওয়া অফিসের কর্তা হবিবুর রহমান জানিয়েছেন, ২৬ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর (পঞ্চমী থেকে সপ্তমী) পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি হতে পারে। তবে বড় ধরনের বর্ষণের সম্ভাবনা কম। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর (অষ্টমী থেকে দশমী) বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ২ অক্টোবর, দশমীর দিন, তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি হতে পারে।
২৩ সেপ্টেম্বর: পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।
২৬–২৯ সেপ্টেম্বর: দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।
৩০ সেপ্টেম্বর–২ অক্টোবর: বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের নানা জেলায়। উপকূলঘেঁষা জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
এ বছর দুর্গাপুজো হচ্ছে বর্ষার ভেতরে। ফলে কমবেশি বৃষ্টি হবেই—এমনটা আগে থেকেই অনুমান করা গিয়েছিল। তবে নতুন নিম্নচাপ তৈরি হলে সেই সম্ভাবনা আরও বাড়বে। আবহাওয়া দফতরের বক্তব্য, সাগরের সিস্টেম কীভাবে তৈরি হচ্ছে তার উপর নির্ভর করবে চূড়ান্ত পূর্বাভাস। ফলে পুজোর প্রতিটি দিনে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে বঙ্গবাসীকে।
ভারতের টেলিকম বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে নতুন রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে এল Jio। ৩৫০ টাকার কম…
এপ্রিল মাস মানেই বাংলার আবহাওয়ায় চরম ওঠানামা। একদিকে তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা, অন্যদিকে হঠাৎ কালবৈশাখীর…
মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য ফের খারাপ খবর সামনে আসছে। সাম্প্রতিক এক বাজার সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের…
গত কয়েক সপ্তাহে সোনার দামে বড় ওঠানামা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ৩০ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের…
আইপিএল ২০২৬-এর মাঝেই হঠাৎ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা…
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের আর্থিক…