নয়াদিল্লি: দেশে করোনা পরিস্থিতির যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এমনকি উৎসব মরশুমে করোনা ভয়াল রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। ঠিক সেই সময় আশার বাণী শোনালো ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং আইআইটি-র সদস্যদের নিয়ে তৈরি কমিটি। করোনার যে সর্বোচ্চ সংক্রমণের হার তা চলে গিয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা যুদ্ধ জয়ের। সব কিছু এভাবেই ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই পত্রপাঠ বিদায় নেবে করোনা। রবিবার দুপুরে এমনই সুসংবাদ শুনিয়েছে আইসিএমআর প্যানেল।
এই কমিটির দাবি দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা শেষমেষ ১ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। ১ কোটি পাঁচ লক্ষ আক্রান্ত হবেন সামনের বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই। কিন্তু সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমতে কমতে করোনারোগীর সংখ্যা আর তেমন থাকবে না। তবে সতর্কও করছেন তাঁরা। কমিটির স্পষ্ট বার্তা, এই সময়ে যদি কোনও বড় আকারের জমায়েত হলে তার মাশুল গুণতে হবে। আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং আইআইটি-র সদস্যদের নিয়ে তৈরি কমিটিটি এই রূপরেখা তৈরি করেছে, যার নাম ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল সুপারমডেল। সেই গাণিতিক বিশ্লেষণেই এমন বলা হয়েছে। এই কমিটির এই বার্তা আপাতত কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে দেশবাসীকে। তবে স্বস্তি পেলেই হবে না, এই আশার বাণীকে সত্যিতে রূপায়িত করার জন্য সকলকে সম্মিলিতভাবে সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে একটা ভুলের মাশুল গুনতে হতে পারে জীবন দিয়ে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…