রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় জানিয়েছিলেন, যাত্রীদের ব্যবহার করা কম্বল প্রতি মাসে অন্তত একবার ধোয়া হয়ে থাকে। মেশিন পরিচালিত লন্ড্রিতে স্ট্যান্ডার্ড ডিটারজেন্ট এবং কেমিক্যাল দিয়ে এই কাজ করা হয়ে থাকে। তবে, অনেক সময় দেখা যায় সরকারের দেওয়া কম্বল নোংরা থাকে। নোংরা কম্বল গায়ে দিলে ত্বক এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে নানা রকম সমস্যা এবং গুরুতর রোগ পর্যন্ত হতে পারে। রেলওয়ের কম্বল পরিষ্কার করার নিয়ম হলো, প্রতি কম্বল ১৫ থেকে ৩০ দিনে একবার পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু আদৌ কি এতটা পরিষ্কার হয় কম্বল?
ট্রেনের এই কম্বল পরিষ্কারের পদ্ধতি হলো গরম জল, ডিটারজেন্ট এবং স্টেরিলাইজেশনের মাধ্যমে কম্বল ধোয়া হয়। কিছু রেলওয়ে অঞ্চলে ইউ ভি স্টেরিলাইজেশনের মত আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় কম্বল ধোয়ার জন্য। কম্বলের পাশাপাশি চাদর এবং বালিশের কভার দেওয়া হয়ে থাকে যাত্রীদের।
যাত্রীদের মধ্যে প্রধান অভিযোগ হল, কম্বল যথাযথভাবে পরিষ্কার না হওয়া। পাশাপাশি, যেহেতু কম্বল ১৫ দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ধোয়া হচ্ছে সেক্ষেত্রে একাধিক যাত্রীরা ব্যবহার করছেন এই কম্বল। ফলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তার নিশ্চিত থাকেনা। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কম্বলের মানের অনেকটা অবনতি হয়ে যায়। রেলওয়ে নিজস্ব লন্ড্রি সুবিধা ব্যবহার করে কম্বল পরিষ্কার করে। কিন্তু অনেক সময় আবার থার্ড পার্টি পরিষেবার ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে থার্ড পার্টি কোম্পানিগুলি খুব একটা ভালো করে কম্বল পরিষ্কার করে না। ফলে সব দিক থেকেই এই কম্বল নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে থাকে ক্ষোভ।
ভারতের টেলিকম বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। Jio, Vi-র সঙ্গে টক্কর দিতে গ্রাহকদের…
দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার ৯টি রাজ্যে বিদ্যুৎ পরিষেবার…
ভারতের সাধারণ মানুষের অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষার জন্য চালু হওয়া Atal Pension Yojana (APY) বর্তমানে অত্যন্ত…
নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবলে এখনও বহু ভারতীয়ের প্রথম পছন্দ পোস্ট অফিসের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প। এর…
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি “লক্ষ্মীর ভান্ডার”…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এসেছে। উপভোক্তাদের সুবিধা নিশ্চিত করতে…