দিব্যাঙ্গজনদের জন্য আবার একটি দারুন সুখবর নিয়ে এল ভারতীয় রেলওয়ে। এবারে ট্রেনে ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়ের শংসাপত্র পেতে তাদের রেলওয়ে বিভাগীয় অফিসে আর যেতে হবে না। প্রতিবন্ধীদের জন্য ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি নতুন পোর্টাল প্রস্তুত করেছে ভারতীয় রেলওয়ে যে পোর্টালের সাহায্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বাড়িতে বসেই সার্টিফিকেট পেতে পারেন। এই সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে একেবারে কম খরচে আপনি রেলের টিকিট কাটতে পারবেন। এর জন্য তাদেরকে আর মন্ডল অফিসে আসতে হবে না এবং আর কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না।
উত্তর রেলের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার রেখা শর্মা বলছেন এই অনলাইন প্রক্রিয়ার প্রথমে আবেদনকারীকে divyangjanid.indianrail.gov.in ওয়েব সাইটে লগইন করতে হবে এবং তারপর নিজেকে রেজিস্টার করতে হবে। এরপরে একটি নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনকারী তার এই বিশেষ টিকিট এবং বিশেষ সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারেন। তিনি জানিয়েছেন বর্তমানে উত্তর রেলওয়ে লখনৌ বিভাগের অফিসে অনলাইনে দিব্যাঙ্গজনদের সুবিধার জন্য ৫৩০৩টি আবেদনপত্র গৃহীত হয়েছে। এই সবকটি আবেদন পত্র গৃহীত হয়েছে অনলাইন প্রক্রিয়ায়। এই সুবিধা যদি আপনি গ্রহণ করতে চান তাহলে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আপনাকে মানতে হবে।
কোন কোন ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে এই ছাড়?
১. সম্পূর্ণ অন্ধ ব্যক্তি
২. একজন মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি যিনি এসকর্ট ছাড়া ভ্রমণ করতে পারবেন না
৩. সম্পূর্ণ বধির এবং বাক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি।
৪. অর্থোপেডিক প্রতিবন্ধী/ প্যারাপ্লেজিক ব্যক্তি যিনি এসকর্ট সহায়তা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারছেন না।
কিভাবে করবেন আবেদন?
১. এর জন্য প্রথমে ওই আবেদনকারী কে নিউ ইউজার হিসেবে সাইন ইন করতে হবে এই ওয়েবসাইটে।
২. যে রাজ্য এবং নিকটতম রেলওয়ে স্টেশনে তিনি এই সুবিধা গ্রহণ করতে চাইছেন সেটিকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটা শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে হবে না। এরপরে সেই রেলওয়ে স্টেশনের তরফ থেকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।
৩. যদি ওই ব্যক্তির কাছে আধার কার্ড থাকে তাহলে আধার প্রমাণপত্র লাগবে। আধার প্রমাণ পত্র থাকলে খুব সহজেই রেজিস্ট্রেশন এর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
৪. যদি আধার কার্ডের ঠিকানার সাথে বর্তমান ঠিকানা একই থাকে তাহলে অতিরিক্ত কোন ঠিকানা প্রমাণ পত্র দিতে হবে না। জন্ম প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড কাজ করবে।
৫. তবে যদি আপনার কাছে আধার কার্ড না থাকে তাহলে আপনাকে কোন নির্দিষ্ট আইডি প্রমাণ হিসেবে জমা করতে হবে।
৬. আপনার একটি বৈধ ফোন নম্বর থাকতে হবে এবং সেই নম্বর দিয়ে এই ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে এবং আবশ্যক তথ্য পূরণ করতে হবে।
৭. কার্ড জারি হওয়ার পরে কার্ড ধারকের নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ এবং অন্যান্য তথ্য সেই কার্ডের উপরে লেখা হবে। এই তথ্য কিন্তু আপনি আর কখনোই বদলাতে পারবেন না।
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের Z প্লাস নিরাপত্তা নিয়ে…
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েই একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন থালাপতি বিজয়। আগেই ২০০ ইউনিট বিনামূল্যে…
গত ১৫ বছর ধরে বাংলায় দুর্নীতি, কালোবাজারি ও সিন্ডিকেট রাজ চলেছে বলে অভিযোগ তুলে ফের…
চলতি আইপিএল ২০২৬ মরশুমে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে-অফের লড়াই ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। প্রথম ৬…
আপনিও কি রিলায়েন্স জিওর (Reliance Jio) গ্রাহক? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। টেলিকম বাজারে…
বাংলায় এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। সম্প্রতি নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক…