শহরের নিত্যযাত্রীদের জন্য এল বড় সুখবর। কলকাতা মেট্রোর পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার বিশাল প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে রেল মন্ত্রক। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তর-দক্ষিণ করিডোরে (কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর) ট্রেনের ব্যবধান কমে দাঁড়াবে মাত্র আড়াই মিনিটে। এর ফলে অফিসযাত্রী থেকে ছাত্রছাত্রী—সকলের দৈনন্দিন যাতায়াত হবে আরও দ্রুত ও স্বস্তিদায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প কলকাতার গণপরিবহণ ব্যবস্থায় এক নতুন দিশা দেখাবে।
কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনের আধুনিকীকরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬৭১.৭২ কোটি টাকা। এই লাইনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বর্তমানে ১১ কেভি হলেও তা বাড়িয়ে ৩৩ কেভি করা হবে। এর ফলে একই সঙ্গে আরও বেশি সংখ্যক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এছাড়াও, প্রায় ২৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হবে ৭টি নতুন ট্র্যাকশন সাবস্টেশন। এসপ্ল্যানেড থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত পুরনো বিদ্যুৎ পরিকাঠামো সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হবে।
এই প্রকল্পের ফলে সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে ট্রেনের ব্যবধান কমে যাওয়া। বর্তমানে যেখানে প্রতি ৫ মিনিট অন্তর ট্রেন পাওয়া যায়, সেখানে ভবিষ্যতে প্রতি ২.৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চলবে। এর ফলে—
শুধু যাত্রী পরিষেবাই নয়, এই প্রকল্পের ফলে শিল্পাঞ্চলেও পণ্য পরিবহণে গতি আসবে। দামোদর নদের উপর অবস্থিত শতবর্ষী রেল সেতুটিও নতুন করে তৈরি করা হবে, যা রেল যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করবে।
আশির দশকে তৈরি হওয়া কলকাতা মেট্রো মূলত প্রতি ৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চালানোর জন্য পরিকল্পিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে যাত্রীসংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় সেই পুরনো ব্যবস্থা আর যথেষ্ট নয়। তাই এই আধুনিকীকরণ সময়ের দাবি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কলকাতা মেট্রোর এই বড়সড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শহরের গণপরিবহণ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। কম সময়ে বেশি ট্রেন, কম ভিড় এবং উন্নত পরিষেবা—সব মিলিয়ে যাত্রীদের জন্য এটি হতে চলেছে এক বড় স্বস্তির খবর। দৈনিক লক্ষাধিক যাত্রী এই উন্নত পরিষেবার সরাসরি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে শহরের ট্রাফিক চাপ কমাতেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
এপ্রিলের শুরু থেকেই তীব্র গরমে নাজেহাল ছিল দক্ষিণবঙ্গ। তবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের সময় থেকেই বদলাতে…
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Election 2026) ফলাফল অনুযায়ী বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী…
বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়…
গ্রাহকদের জন্য বড় ধাক্কা দিল রিলায়েন্স জিও (Reliance Jio)। কোম্পানি তাদের অন্যতম সস্তার জনপ্রিয় ২০৯…
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সামনে এল গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে অষ্টম পে কমিশন গঠন…
রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকে যাওয়ার ইঙ্গিত…