দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনসাধারণের প্রতি এক বিজেপি নেতা হুঙ্কার দেন ” গোলি মারো”। বিজেপি নেতা-নেতৃগন নিশ্চিত ছিলেন তাদের দল দিল্লিতে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে। তারা দিল্লির ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু তাদের এই নিশ্চিত প্রত্যাশাকে তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিল গত ১১ ফেব্রুয়ারির ভোট গণনা।
ভোট গণনার পর আপ আবার ক্ষমতায় আসায় বিজেপির দলের একাংশ মনে করছে ওই বিজেপি নেতার “গোলি মারো” হুঙ্কার তাদের দলের জয়কে ভরাডুবি করেছে। সম্প্রতি অমিত শাহ জানিয়েছেন, তিনি ও তার দল মোটেই “গোলি মারো” মন্তব্যকে সমর্থন করেন না।
আরও পড়ুন : চালু হল ভারতের প্রথম বৈদ্যুতিক বাস
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, “এ যেন রোগীর মৃত্যু হওয়ার পর ডাক্তার আসার মতো ব্যাপার”। তারপর তিনি নাম না করেই বলেন, আজ কোনো এক দলের মতের বিপরীতে কথা বললে মেরে ফেলা হুমকি দিচ্ছে। তিনি নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরও বলেন, মতের অমিল হলেই তাকে বলা হচ্ছে ” বোলি নেহি তো গোলি”। আজকাল কারোর সাথে মতে না মিললে গুলি করতে বলে ওরা। এটি বলা উচিত হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভোটের প্রচার চলাকালীন “গোলি মারো” বা “ইন্দো-পাক ম্যাচ” বলা উচিত হয়নি। যা দিল্লির মানুষের মনে নেতিবাচক ধারনার সৃষ্টি করেছে, যার ফলে বিজেপির ভোটে জয়লাভ হয়নি।
বাজেট স্মার্টফোনের বাজারে বড় চমক দিল Xiaomi। ভারতের বাজারে লঞ্চ হল তাদের নতুন স্মার্টফোন Redmi…
চেন্নাইয়ের ২২ গজে সুবিধা পান স্পিনার এবং ধীর গতির বোলারেরা। এই তথ্য অজানা নয় কেকেআর…
নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড়সড় চাঞ্চল্য তৈরি হল। রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা I-PAC-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও…
২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে একটাই প্রশ্ন—কবে প্রকাশ হবে রেজাল্ট?…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্প এখন ভোটের আবহে বেশ চর্চায়। এই প্রকল্পের আওতায় মার্চ মাস থেকে…
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিজ্ঞ নেতা অরূপ বিশ্বাস আবারও টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী লড়াইয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…