বিপুল সংখ্যক প্রবীণ নাগরিক এবং তাদের দৈনন্দিন অসুবিধার কথা বিবেচনা করে সরকার সিনিয়র সিটিজেন কার্ড তৈরি করে। এই কার্ডটি ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য তৈরি করা হয়, যাকে সিনিয়র সিটিজেন আইডি কার্ডও বলা হয়। এই কার্ডটি এক ধরনের পরিচয়পত্র। এই কার্ডের সাহায্যে প্রবীণ নাগরিকদের অনেক সুবিধা দেওয়া হয়। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রকল্পগুলিতেও এই কার্ডের সুবিধা দেওয়া হয়।
সিনিয়র সিটিজেন আইডি কার্ডে প্রবীণ নাগরিকের রক্তের গ্রুপ, জরুরি যোগাযোগের নম্বর, মেডিক্যাল বিবরণ দেওয়া থাকে। এই কার্ড তৈরি করার জন্য রাজ্য সরকারের অনলাইন ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে কিছু কাগজপত্রও দিতে হয়, যাতে আবেদন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
এর জন্য পাসপোর্ট, প্যান কার্ড, স্কুল ছাড়ার শংসাপত্র দেওয়া যেতে পারে। আবেদনকারীর নামে থাকা রেশন কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, বিদ্যুৎ বা ফোন বিলের মতো বৈধ নথি দেওয়া যেতে পারে। রক্তের রিপোর্ট, ওষুধ ও অ্যালার্জির রিপোর্ট দিতে হবে।
সিনিয়র সিটিজেন আইডি কার্ড তৈরি করতে গেলে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হয়। এর ফর্মটি কেবল রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় যেখানে এটি অনলাইনে পূরণ করা যায়। আগে প্রবীণ নাগরিকদের ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হলেও এখন তা বন্ধ। তবে এখনও আলাদা টিকিট কাউন্টার দেওয়া আছে। বিমানের টিকিটে ছাড় দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের চেয়ে এফডিতে বেশি সুদ পাওয়া যায়। পোস্ট অফিস ইনভেস্টমেন্ট স্কিম সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি সুবিধা ও সুবিধা দিয়ে থাকে। সরকারি হাসপাতালে এবং সরকারি হাসপাতালে কম খরচে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা (KMC)। শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেআইনি…
কলকাতায় অবৈধ নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই তৃণমূল…
বর্তমান সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নিয়মিত আয়ের সুযোগ খুঁজছেন অনেকেই। শেয়ার বাজার বা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে…
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নাজেহাল বাংলা। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়…
দেশের বাজারে সোনা ও রুপোর দামের ওঠানামা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিয়ের…
রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে দীর্ঘদিন ধরে শূন্যপদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ…