জীবনে আয় করার পাশাপাশি সঞ্চয় করাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যায় একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই করা সম্ভব, কিন্তু সঞ্চয় না থাকলে অবসরের পরের জীবনটা কাটানো খুবই মুশকিলের। সেই জন্যই চাকরি করার সময়েই আয়ের কিছু অংশ সেভিংস করে রাখতে হয়। কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না, কিভাবে, কোথায় সেভিংস করলে শেষে অনেকটা লাভ হবে। অনেকের মধ্যেই এই ধারনা আছে ব্যাঙ্কে টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে রাখলে অনেকটা রিটার্ন পাওয়া যাবে। কিন্তু ব্যাঙ্কের থেকেও টাকা জমানোর ভালো হচ্ছে মিউচুয়াল ফান্ড। কিছু মিউচুয়াল ফান্ডে আপনি দিনে মাত্র ১০০ টাকা করে রাখলে আপনি পেতে পারেন ৪.৫ কোটি টাকা।
লম্বা সময়ের জন্য আপনি যদি ইক্যুয়েটি মিউচুয়াল ফান্ডের SIP তে বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনার টাকা কোটিতে পৌঁছতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আপনি যদি আপনার ৩০ বছর বয়স থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত ইক্যুয়েটি মিউচুয়াল ফান্ডের SIP তে টাকা রাখতে পারেন তবে চাকরি থেকে অবসরের পর কয়েক কোটি টাকা রিটার্ন পাবেন।
আরও পড়ুন : আধারের সাথে প্যান কার্ডের লিংক না থাকলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন একজন যদি SIP তে ৩০ বছরের জন্য ১৫% রিটার্ন পাবে এই হিসেবে বিনিয়োগ করে তাহলে ৩০ বছর পর কয়েক কোটি টাকা পেতে পারে। এরজন্য প্রতিদিন তাকে মাত্র ১০০ টাকা করে অর্থাৎ মাসে ৩০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এইভাবে বিনিয়োগ করলে ৩০ বছর পর টোটাল রিটার্ন পাবে ৪ কোটি ৫০ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮০৯ টাকা। ৩০ বছরে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে আপনার মোট বিনিয়োগ হবে ৫৯ লাখ ১৭ হাজার ৫১২ টাকা। অর্থাৎ আপনি মোট ৩ কোটি ৯১ লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯৭ টাকা বেশি পাবেন এই ভাবে বিনিয়োগ করলে। সুতরাং দেরি না করে আজই বিনিয়োগ করুন SIP তে।
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের জন্য সরকারি বাসযাত্রা আরও সহজ করতে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যজুড়ে সরকারি বাসে…
ভারতের টেলিকম বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। Jio, Vi-র সঙ্গে টক্কর দিতে গ্রাহকদের…
দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার ৯টি রাজ্যে বিদ্যুৎ পরিষেবার…
ভারতের সাধারণ মানুষের অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষার জন্য চালু হওয়া Atal Pension Yojana (APY) বর্তমানে অত্যন্ত…
নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবলে এখনও বহু ভারতীয়ের প্রথম পছন্দ পোস্ট অফিসের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প। এর…
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি “লক্ষ্মীর ভান্ডার”…