নয়াদিল্লি: ২৭ মার্চে করোনা মহামারিকে মোকাবিলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পিএম কেযার্স নামে একটি ফান্ড খোলা হয়। সেখানে ২৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে ৩০৭৬ কোটি টাকা জমা পড়ে। পাঁচ দিনের মধ্যে বিপুল সংখ্যক অর্থ কারা সরকারি তহবিলে দান করেছেন, এই প্রশ্নে সরব হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।
নিজে আইএনএক্স মামলায় জর্জরিত হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর অধীনস্ত বিজেপি সরকারকে খোঁচা মারতে ছাড়লেন না চিদম্বরম। সরকারের প্রকাশিত এক অডিট রিপোর্টে এই বিপুল পরিমাণ অর্থের তথ্য প্রকাশ হতেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সরব হয়েছেন। ৩০৭৬ কোটির মধ্যে দেশের মধ্যে থেকেই ৩০৭৫.৮৫ কোটি টাকা অনুদান এসেছে৷ আর বিদেশ থেকে এসেছে ৩৯.৬৭ লক্ষ টাকা৷ পিএম কেযার্স ফান্ডের ওয়েবসাইটে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু কারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দান করেছেন, তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। কেন প্রকাশ্যে তাদের নাম আনা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নেই সরকারকে নিশানা করেছে কংগ্রেস।
এ প্রসঙ্গে চিদম্বরম টুইট করে মোদি সরকারকে তোপ দেগে বলেন, ‘এ বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা গ্রহীতাদের সবাই জানে। ট্রাস্টের নামও সকলের জানা। তাহলে দাতা কারা তা জানাতে আপত্তি কিসের? কেন দাতাদের নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না?’ এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারকে খোঁচা মেরেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তবে এ প্রসঙ্গে সরকার কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কারোর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…
ভারতীয় অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট…
বিধানসভার স্বাক্ষর বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
রাজ্যের উন্নয়নমূলক ও সংস্কার প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।…
গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। শুক্রবার…
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…