শুক্রবার সকালে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন পি কে বন্দোপাধ্যায়। সকলকে ছেড়ে চলে গেলেন তিনি,মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩। বাংলার এই ফুটবলার কোচের প্রয়ানে শোকস্তব্ধ ফুটবল প্রেমিরা। দীর্ঘ দিন ধরে ভুগছিলেন তিনি। বয়সের দাপটে দুর্বল হয়ে যাচ্ছিলেন ক্রমশ। গ্রাস করেছিল নানা রোগ।
গত ২১ জানুয়ারি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন, দু সপ্তাহ পর আবার অসুস্থ হওয়ায় তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে, মাসখানেক হাসপাতালে থাকার পর শারীরিক অবনতি বাড়ে, চিকিৎসকরা তাকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তর করেন। আজ সকালে মারা যান তিনি।
শুধু ফুটবলার হিসেবেই নয় কোচ হিসেবেও সাফল্যের চূড়ায় পৌছান তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিহারের হয়ে সন্তোষ ট্রফি খেলেছিলেন তিনি। ১৯৫৮ সালে তিনি কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্টার্ন রেলের সদস্য ছিলেন। ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পর ১৯৬০-য় রোম অলিম্পিকে গোল করেছিলেন ফ্রান্সের বিরুদ্ধে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬ ভারতীয় দলে এশিয়ান গেমসেও ছিলেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলে একাধিক সাফল্য অর্জন করেছিলেন তিনি। তার ভাই প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় শোকার্ত দাদার প্রয়াণে৷ ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস যান তাকে দেখতে। ফুটবল জগতের এক বৃহৎ আলো নিভে গেল পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণে।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…