বাংলায় এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। সম্প্রতি নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তার মধ্যেই অন্যতম ছিল প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা বাংলায় চালুর সিদ্ধান্ত। সরকারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা আবেদনগুলিকেও নতুন করে কেন্দ্রের এমএসএমই দফতরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, কামার, কুমোর, স্বর্ণকার, মালাকার, নাপিত-সহ বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ আগেই আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকারের আমলে সেই আবেদনগুলি জেলাশাসকদের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় দফতরে পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ। এবার সেই প্রক্রিয়া ফের শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা হল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বিশেষ প্রকল্প, যা মূলত ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্প চালু হয়।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে কারিগর শ্রেণির মানুষদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক সরঞ্জাম কেনার সহায়তা, স্বল্প সুদে ঋণ এবং ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দেওয়া হয়। সরকারের লক্ষ্য, স্থানীয় শিল্প ও হস্তশিল্পকে আরও বড় বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা।
বিশ্বকর্মা যোজনার আওতায় আবেদনকারীদের পাঁচ থেকে সাত দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে স্টাইপেন্ডও দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হয় বিশেষ সার্টিফিকেট ও পরিচয়পত্র।
এছাড়া আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-ভাউচারের সুবিধা রয়েছে। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য মোট ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ পাওয়া যায়। প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। এই ঋণের সুদের হার মাত্র ৫ শতাংশ।
এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। আবেদনকারীকে স্বনিযুক্ত হতে হবে এবং কোনও নির্দিষ্ট কারিগরি পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। কাঠমিস্ত্রি, কামার, কুমোর, তালামিস্ত্রি, স্বর্ণকার, মুচি, রাজমিস্ত্রি, ধোপা, দর্জি, মালাকার, নাপিত-সহ একাধিক পেশার মানুষ এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন।
তবে শর্ত রয়েছে, গত পাঁচ বছরের মধ্যে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের অন্য কোনও স্ব-কর্মসংস্থান ভিত্তিক ঋণ প্রকল্পের সুবিধা নেওয়া যাবে না। একই পরিবারের একজন সদস্যই আবেদন করতে পারবেন এবং পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিতে থাকলে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না।
এই প্রকল্পে অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই আবেদন করা যায়।
অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার সরকারি পোর্টালে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর আধার কার্ডের কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হবে।
অফলাইনে আবেদন করার জন্য নিকটবর্তী কমন সার্ভিস সেন্টারে যেতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে আধার কার্ড ও মোবাইল নম্বর। সেখানে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে আবেদন সম্পূর্ণ করা যাবে।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…