কৃষি হল দেশের মূল ভিত্তি। মানুষ বেঁচে থাকার জন্য যে খাদ্য গ্রহণ করে তার সবকিছুই উৎপাদিত হয় জমিতে। সেই খাদ্যশস্য বা ফসল ফলানোর জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করেন কৃষকরা। দেশ জুড়ে অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও কৃষিকাজ এবং কৃষি ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি ক্ষেত্রকে সার্বিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোন গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বলতে গেলে কৃষকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত থেকেছেন। দেশের একটা বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে কৃষিজ অর্থনীতি এবং তার কারণে ভারতবর্ষে নানারকমের খাদ্যশস্য এবং ফসল চাষ করা হয়। এই খাদ্যশস্য বিদেশের রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ভারতে আসে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি বেশ শক্তপোক্ত হয়। তবে কৃষকদের পরিস্থিতি কোনদিনই তেমন একটা উন্নত হয় না।
এর ফলে ভবিষ্যতে কৃষকদের পরিবারের অনেককেই আর কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত হতে দেখা যাচ্ছে না। যার প্রভাব পড়বে আগামী দিনে। আগামী দিনগুলোতে দেশের মানুষের খাদ্যশস্য এবং ফসল নিয়ে সমস্যা হতেও পারে। সেই কারণেই ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার শুধুমাত্র কৃষকদের জন্যই PMKSNY প্রকল্প এবং আরো একটি প্রকল্প নিয়ে এসেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি কৃষক বার্ষিক ছ’ হাজার টাকা করে ভাতা পেতে চলেছেন। কোন কৃষকের ভবিষ্যতে আর্থিক দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাতে জীবন না কাটে, তার জন্যই এই প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে এই প্রকল্প চালু করেছেন। পাশাপাশি চাষের কাজে যাতে কোন টাকার অভাব না হয়, সেই কারণে অল্প সুদে কৃষিভিত্তিক ঋণদান এর জন্য এই বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
একজন কৃষক যখন বার্ধক্যে পৌঁছবেন তখন তিনি প্রতিমাসে তিন হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন। প্রধানমন্ত্রী মান ধন যোজনা প্রকল্পে আবেদনের জন্য কি কি করতে হবে এবং কিভাবে আপনারা ভাতা পাবেন সেই সমস্ত কিছু নিয়ে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
মাসিক আয় ১৫ হাজার পর্যন্ত হতে হবে
এই স্কিমের সুবিধা সেই ব্যক্তিদের দেওয়া হবে, যারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করেন। এছাড়াও, স্কিমে যোগদানকারী ব্যক্তির বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। স্কিমের অধীনে, এই পেনশন প্ল্যানে আপনি যে পরিমাণ টাকা জমা করবেন, সরকারও একই পরিমাণ জমা করবে। এতে ৫৫ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জমা করা যাবে। এই স্কিমের সুবিধা নিতে, আপনাকে এই প্রকল্পে নিজের নিবন্ধন করতে হবে।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, আধার কার্ড
এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে হলে আপনার কাছে আধার কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এর জন্য আগে আপনাকে আপনার নিকটস্থ CAC এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আপনাকে এমন কোনো CAC তে যেতে হবে, যেখানে উল্লিখিত স্কিমের নিবন্ধন করা হয়। রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে আধার কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সম্পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে। এর পরে আপনার বায়োমেট্রিক্স ডেটা রেকর্ড করা হবে। এর সাথে, সেখানে আপনাকে একটি কার্ডও উপলব্ধ করা হবে। এতে শ্রম যোগী পেনশন কার্ড নম্বর দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে, আপনি শুধুমাত্র এই নম্বরের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হবেন।
The Ton may still be buzzing over Bridgerton season 4, but fans are already speculating…
Tampa Bay Buccaneers wide receiver Tez Johnson is facing intense public scrutiny after his ex-fiancée,…
The knives are out at the box office as Paramount’s Scream 7 slashes into theaters…
The season opens with King Kong storming an Apex Cybernetics camp on Skull Island. The…
— Andy Cohen, Bravo’s Real Housewives producer and reunion host, offered a heartfelt tribute to…
Key Points Apple is expected to unveil a refreshed MacBook Air alongside its low-cost MacBook…