অন্য কেউ নয় বরং খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিনিয়োগ করেছেন এই সরকারি প্রকল্পে। সেই কারণে এই সরকারি প্রকল্পের উপরে আস্থা রাখতে পারেন আপনিও। পোস্ট অফিসের এই স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে বিনিয়োগ করে বিপুল রিটার্ন পেতে পারেন প্রত্যেক আমানতকারী। এমনিতেই পোস্ট অফিসের প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চমৎকার রিটার্ন প্রদান করে থাকে। এই সমস্ত প্রকল্পে আপনারা শুধুমাত্র যে বিনিয়োগের উপরে ভালো রিটার্ন পাবেন সেটুকুই নয়, বরং আপনারা পেয়ে যাবেন তার সাথে কর ছাড়ের সুবিধা। এই কারণেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বিনিয়োগের জন্য ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটের উপরে বেশি ভরসা রেখেছেন। যাতে শেয়ার বাজারের মত বেশি ঝুঁকি না থাকে এবং বিনিয়োগের উপরে বাজারের কোন অস্থিরতার প্রভাব না পড়ে।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পোস্ট অফিসে জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্রে ৯,০৫,১০৫ টাকা জমা দিয়েছেন। এই প্রকারের উপরে তিনি বেশি বিশ্বাস করেন এবং ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট এর ম্যাচুরিটির মেয়াদ পাঁচ বছর হওয়ার কারণে তিনিও এই প্রকল্পের উপরে ভরসা রাখতে পেরেছেন। এই মুহূর্তে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট প্রকল্পে আপনি যদি বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনারা পেয়ে যাবেন ৬.৮ শতাংশ হারে সুদ। তার পাশাপাশি, আয়কর আইন অনুযায়ী আপনি কিন্তু পেয়ে যাবেন ছাড়। বার্ষিক ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আপনি বিনিয়োগে কর ছাড় পেয়ে যাবেন। এছাড়াও মেয়াদ পূর্তির পরে আপনারা যে সুদ পাবেন তাতেও কিন্তু কোন কর দিতে হবে না।
এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার কোন সর্বোচ্চ সীমা নেই। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট এ বিনিয়োগ করলে আপনারা ন্যূনতম ১০০ টাকা থেকে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন। ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা, ৫০০০ টাকা, ১০ হাজার টাকা এবং তার বেশি মূল্যের সার্টিফিকেট আপনি গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানে এই একই ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটে ৬.৮ শতাংশ হারে পাওয়া যাচ্ছে সুদ। তবে সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ অর্থ মন্ত্রক ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার বৃদ্ধি করার ঘোষণা করতে পারে। এরপরে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের সুদের হার আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ওয়েবসাইট অনুসারে ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩৫,২৫০ টাকা নগদ ক্যাশ ছিল। তার পাশাপাশি, ৯,০৫,১০৫ টাকা তিনি পোস্ট অফিসের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্রে জমা করেছেন। এছাড়াও, ১,৮৯,৩০৫ টাকার একটি বীমা পলিসি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নামে। এক বছর আগের তুলনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পদ বেড়েছে প্রায় ২৬.১৩ লক্ষ টাকা। এক বছর আগে পর্যন্ত তার স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১.১ কোটি টাকা। তবে সেই সম্পত্তি এখন আর নেই। বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড এবং শেয়ার মার্কেটে কোনরকম বিনিয়োগ করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত গাড়িও নেই। তবে তার কাছে ১.৭৩ লক্ষ টাকা মূল্যের চারটি সোনার আংটি রয়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…