রসগোল্লা, বাঙালিদের প্রধান মিষ্টি। বেশ কিছুদিন আগে প্রশ্ন উঠেছিল রসগোল্লা প্রথম কোথায় প্রথম তৈরী হয়। এই প্রশ্নের উত্তর অনেক আগে থেকেই জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) জানিয়েছে। তবুও এই উত্তর মানতে রাজি নয় ওড়িশা। পশ্চিমবঙ্গ এই বিশেষ সংশাপত্র পাওয়ার পর ওড়িশার মিষ্টির দাবিদারেরা সমস্ত কাগজপত্র জমা দেয় চেন্নাইয়ের জিআই রেজিস্ট্রি সংস্থার অফিসে। আজ বৃহস্পতিবার, চেন্নাইয়ের জিআই সংস্থা জানিয়ে দিল রসগোল্লা প্রথম পশ্চিমবঙ্গে বানানো হয়।
গত জুলাই মাসে রসগোল্লার সৃষ্টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জিআইয়ের মতে রসগোল্লার দাবিদার হিসেবে ওড়িশার নামও উচ্চারিত হবে। চেন্নাইয়ের রেজিস্ট্রি সংস্থার দেওয়া এই সংশাপত্রের মেয়াদ ২০২৮ এর ২২ শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর সম্পূর্ণ নির্ভুল তথ্য পাওয়ার জন্য চেন্নাইয়ের জিআই আদালতের কাছে যায় দুই রাজ্য। সেইখানে জয়লাভ করে রাজ্য।
বাংলায় ১৮৬৪ সালে নবীনচন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা তৈরী করেন। ১৮৬৮ সালে বর্তমান রসগোল্লার আত্মপ্রকাশ। তাই ওড়িশার দাবিকে মান্যতা দেয়নি বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও অবিভক্ত বাংলা, বিহার, ওড়িশায় রসগোল্লার প্রমান পাওয়া যায়, সেখানেও ওড়িশার দাবি ভুল। তাই শেষপর্যন্ত বিশেষজ্ঞরা রায় দিন রসগোল্লা পশ্চিমবঙ্গের তৈরী।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…