নয়াদিল্লি: প্রায় দেড় মাস ধরে কৃষি আইনের (Farm Law) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে চলেছে ৪০টি কৃষক সংগঠন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের (Central Govt) সঙ্গে নয় দফা বৈঠক হয়ে গিয়েছে। মেলেনি সমাধান সূ্র। তবে বুধবার (Wednesday) দশম রাউন্ড বৈঠকে আন্দোলনের জট কাটাতে কিছুটা হলেও সুর নরম করেছে মোদী সরকার। তিন কৃষি আইন আগামী দেড় বছরের জন্য স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্র। আর এই নিয়েই দোটানায় কৃষক সংগঠনগুলি। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার (Thursday) সারাদিন বৈঠক কর্মসূচি নিয়েছে তারা। শুক্রবার (Friday) ফের একবার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কৃষক আন্দোলনের নেতারা। সেখানেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারের (Narendra Singh Tomar) কাছে নিজেদের সিদ্দান্ত জানানোর কথা তাঁদের।
বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন বাতিল এবং ফসলের ন্যূনতম সহায়ত মূল্যকে আইনি বৈধতা দেওয়ার ব্যাপারে বুধবার দুই পক্ষের বৈঠকে ঐক্যমতে পৌঁছন যায়নি। কেন্দ্রীয় সরকার কিছুটা সুর নরম করে তিনটি কৃষি আইন আগামী দেড় বছরের জন্য স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে কেন্দ্রের এই প্রস্তাবে রাজি নয় বৈঠকে যোগদানকারী কৃষক সংগঠনের অধিকাংশ প্রতিনিধিই। কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর তাঁরা কেন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবার জাবাব দেবেন।
কেন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে এদিন বেলা ১১টায় সিঙ্ঘু সীমানায় পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি প্রথমে বৈঠকে বসছে। সেই বৈঠক মিটলে বেলা দুটোয় বৈঠকে বসবে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে, কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া প্রস্তাব মেনে নেওয়া হবে না প্রত্যাখ্যান করা হবে। এরপর শুক্রবার বেলা বারোটায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা ফের কেন্দ্রের সঙ্গে একাদশতম রাউন্ডের বৈঠকে বসবে। সেই বৈঠকেই বোঝা যাবে কৃষকদের আন্দোলন চলবে, না তাঁদের ক্ষোভের প্রশমন হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, সহায়ক মূল্য নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের কথা বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওই কমিটি কৃষি আইন নিয়েও মতামত দেবে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার বলেছেন, ‘আলোচনাতে আমরা বলেছি যে কেন্দ্রীয় সরকার আগামী দেড় বছর নয়া তিন কৃষি আইন স্থগিতের জন্য প্রস্তুত। কৃষক প্রতিনিধিরা এখনও আইন বাতিলের পক্ষে অনড় থাকলেও ওরা এই প্রস্তাব ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। মনে হয় আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে।’ রাজধানীর সীমানায় টানা কৃষক আন্দোলনে বেশ কিছুদিন ধরে দেশে-বিদেশে অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রচণ্ড শীতে পঞ্জাব, হরিয়ানার কৃষকরা দিল্লি সীমানায় বসে আছেন। এমনকি ঠান্ডায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র দেড় বছর কৃষি আইন স্থগিত রাখতে তৈরি হয়েছে। কৃষকদের বিশ্বাস জিতে নিতে তারা সুপ্রিম কোর্টে এ ব্যাপারে এফিডেভিট দিতেও তৈরি বলে জানিয়েছে। কেন্দ্র প্রস্তাব দিয়েছে, কৃষক ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা একটি কমিটি তৈরি করে বিতর্ক মিটিয়ে নিক।
এদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে কৃষকদের ট্রাক্টর প্যারেড রুখতে মামলা দায়ের করেছিল কেন্দ্র। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, কৃষকদের কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ করা অনভিপ্রেত হবে। তাই তারা পুলিশের উপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলার বিষয় পুলিশ দেখবে, আদালত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না জানিয়ে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এরপরই কেন্দ্র মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। এদিকে কেন্দ্র মামলা তুলে নেওয়ার পর ট্রাক্টর প্যারেড নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এই বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন কৃষক নেতার। দিল্লি পুলিশ বিষয়টি ট্রাফিকের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। এই নিয়েও সিঙ্ঘু সীমানায় আজ বৈঠক হওয়ার কথা।
রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিল নবান্ন। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও…
দেশের জনপ্রিয় সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম অটল পেনশন যোজনা (APY)। অবসর জীবনে নিশ্চিত মাসিক…
বাস যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এল পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম (WBTC)। দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে…
সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এবার কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। সরকারি সম্পদের ক্ষতি…
গঙ্গাসাগরগামী লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীর জন্য বড় সুখবর। বহু বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত সরাসরি…
সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর। অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার অপেক্ষার মধ্যেই মহার্ঘ…