গত মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে লক ডাউন হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ। বন্ধ সমস্ত রকম যান চলাচল পরিষেবা। জনশূন্য রাস্তাঘাট। জমায়েতের ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। যার ফলে সবরকম কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। গত মঙ্গলবার ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশ ২১ দিনের জন্য লক ডাউন ঘোষণা করেন। যার ফলে তারপর থেকেই পরিযায়ী শ্রমিকেরা বাড়ি ফেরার পালা শুরু করেন।
কাজকর্ম স্থগিত হওয়ার ফলে সেইসব শ্রমিকদের আর রাখতে চাইছে না মালিক। ভাড়াটেদের বাড়ি থেকে বের করার জন্য তোরজোর লাগিয়েছেন বাড়ির মালিক। এভাবে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে মানুষ যাতায়াতের ফলে লক ডাউন বিধি সফল হবে না, মত কেন্দ্রের। এবার কেন্দ্র অঙ্গরাজ্যগুলিকে এবং কেন্দ্র শাসিত রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিল, যেসব শ্রমিক যেখানে আটকে রয়েছে তাঁকে সেখানেই থাকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। প্রয়োজনে খাওয়ার, জল ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে হবে।
গত শনিবার সারা দেশে লক ডাউন বিধি জারি থাকার পরেও দিল্লির আনন্দবিহার বাস টার্মিনালের ছবি দেখে শিহরিত দেশবাসী। বাড়ি ফেরার জন্য স্বাস্থ্যবিধি শিকেয় তুলে বাসের অপেক্ষায় শয়ে-শয়ে শ্রমিক ও তাঁর পরিবার। কারন কাজকর্ম বন্ধ থাকার কারনে মালিক আর শ্রমিকদের দায়িত্ব নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাই কেন্দ্রের নির্দেশ যেসব মালিক তার শ্রমিকের দায়িত্ব নিচ্ছে না তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এছাড়া আরও বলা হয়েছে, যেকোনো রাজ্যে ঢোকা সমস্ত যাত্রীবাহী বাস আটকে দেওয়া হবে সীমান্তেই। বাসের যাত্রীদের রাখতে হবে ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইনে। সেখানে দিতে হবে তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…