করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২ দফায় মোট ৪০ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন তিনি। ৩ রা মে শেষ হচ্ছে দ্বিতীয় দফার সেই লকডাউনের সময়সীমা। এর পর লকডাউন আরও কিছুদিন বাড়ানো হবে নাকি তুলে নেওয়া হবে লকডাউনের বিধিনিষেধ, তা নিয়ে জল্পনা চলছে বিশেষজ্ঞ মহলে। এর মধ্যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন তাঁর নিজস্ব অভিমত।
মুখ্যমন্ত্রী তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দফায় দফায় দেশ থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত। ৪ ঠা মে-র পর ২ সপ্তাহের মধ্যে এই লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী নয় দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাঁর এই মন্তব্য করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল নেত্রী।
লকডাউন কীভাবে তোলা যেতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ৪ ঠা মে থেকে এক সপ্তাহে ২৫ শতাংশ লকডাউন তোলা উচিত। পরের এক সপ্তাহে তোলা যেতে পারে ৫০ শতাংশ লকডাউন। ৪ ঠা মে-র ২ সপ্তাহ পর সম্পূর্ণ লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এদিন তিনি করোনা ভাইরাসের থেকে ‘প্যানিক ভাইরাস’কে বেশি ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেন।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবিলায় রাজ্যের সফলতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এখনও রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩৪ জন। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।
ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে ঝুঁকি কম এবং…
ভারতীয় অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট…
বিধানসভার স্বাক্ষর বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
রাজ্যের উন্নয়নমূলক ও সংস্কার প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।…
গত কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের। শুক্রবার…
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত…