আগামী ১০ বছরের জন্য বাড়ানো হলো জাতিগত সংরক্ষণের সময়সীমা। এই সংক্রান্ত বিলটি আজ ক্যাবিনেট মন্ত্রীসভায় পাশ হয়। গত ২৫ জানুয়ারি এসটি, এসটি সংরক্ষণের সময়সীমা শেষ হয়। এরপর তার মেয়াদ বাড়ানোর বিলটি নিয়ে মন্ত্রীসভার ক্যাবিনেট বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংরক্ষণের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।
গত জানুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ এসসি, এসটি সংরক্ষণের মেয়াদ শেষ হলে তপশীলি জাতিভুক্ত সম্প্রদায়গুলোর অভ্যন্তরে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। সংরক্ষণের সুবিধা বাতিল করা নিয়ে জনমত গঠনের চেষ্টা করেন কয়েকটি সংগঠন। বেসরকারি সেক্টরে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাতিল করা হয় সংরক্ষণের সুবিধা। কিন্তু লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার সুপারিশকে কার্যকর করতে ক্যাবিনেটে পাশ হয়ে গেল সংরক্ষণ বিল। আগামী ১০ বছরের জন্য বর্ধিত করা হলো সংরক্ষণের সুবিধা।
প্রসঙ্গত, পিছিয়ে পড়া জাতিগুলোকে মূল স্রোতে ফেরানোর উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ চালু করা হয়। তবে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থা অবশ্য অনন্তকাল ধরে চালু থাকবে না বলেই উল্লেখ রয়েছে সংবিধানে। প্রতি ১০ বছর অন্তর সংরক্ষণ তালিকাভুক্ত জাতিগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো পর্যালোচনার পর নির্ধারণ করা হয় সংরক্ষণ আদৌও প্রয়োজন কিনা। তারপরই বাড়ানো ১০ বছরের জন্য বাড়ানো হয় সংরক্ষণের সুবিধা।
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…
স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল তেলেঙ্গানা সরকার। এতদিন স্কুলে শুধুমাত্র মিড…
ভারতের সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘিরে সামনে এল বড় খবর। এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে…
রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হওয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান…
রাজ্যের মহিলাদের জন্য ঘোষিত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট সামনে এল। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক…
টানা প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। অবশেষে স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণ বিহারের উপর…