বছরের শুরুতে শহরজুড়ে যেমন বৃষ্টি হল এত বৃষ্টি সাত বছর পর দেখা গেল কলকাতায়। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৩০ মিলিমিটার। তবে জানুয়ারি মাসে মাঝেমধ্যেই এমন বৃষ্টি লক্ষ্য করা যায় কিন্তু জানুয়ারি মাসে বৃষ্টির পরিমাণ থাকে ১০ মিলিমিটার যে পরিমাণ এবার ৩০ মিলিমিটারে পৌঁছে গেছিল। জানুয়ারি মাসে সর্বশেষ ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।
শুক্রবার ভোরে তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রী দিনের শেষে তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ৭ ডিগ্রি ফরম অর্থাৎ ১৮.০ ডিগ্রি। বৃষ্টির ফলে শুক্রবার দিনটি ছিল স্যাঁতস্যাঁতে। এমন শীতলতম দিন শেষ কলকাতায় দেখা গেছে ২০১২ সালের ২৮ শে ডিসেম্বর, ঐদিন আলিপুর তাপমাত্রা ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।
আরও পড়ুন : ‘আপনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নাকি পাকিস্তানের অ্যাম্বাসেডর?’ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তোপ মমতার
অতিবৃষ্টির ফলে চাষিদের মাথায় হাত। আলু, লঙ্কা, টম্যাটো চাষে এর ফলে বড় ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বছরের শুরুতেই পাহাড়ে চলছে তুষারপাত। উত্তর ও পূর্ব সিকিম এবং সান্দাকফুতে বরফ পড়ছে। আবহাওয়া দপ্তর অনুযায়ী শনিবারেও বৃষ্টি হতে পারে তবে তার পরিমাণ শুক্রবারে তুলনায় কম। রবিবার আকাশ কিছুটা পরিষ্কার থাকবে। শীত আবার কনকনে রূপ ধারণ করবে সোমবার ও মঙ্গলবার থেকে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…