'এক দেশ, এক রেশন কার্ড' : রেশন ব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় দরিদ্র মানুষদের জন্য একগুচ্ছ প্রকল্পের পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০১৬ সালের ২৮ শে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও একটি প্রকল্পের উদ্বোধন হয় যা খাদ্য সাথী প্রকল্প নামে পরিচিত। রাজ্যের দরিদ্র এবং বঞ্চিত পরিবারগুলিকে খাদ্য সরবরাহের উদ্দেশ্য এবং এই পরিবার গুলি যাতে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্যশস্য কিনতে পারে এই কথা গুলি মাথায় রেখে এই প্রকল্প চালু করা হয়।
রাজ্য সরকারের এই খাদ্যসাথী প্রকল্পে প্রায় ৮ কোটি জনগণ ডিজিটাল রেশন কার্ডের মাধ্যমে পিডিএস দ্রব্য পেয়ে থাকেন। এই প্রকল্পের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রায় ৭.৫ কোটি অর্থাৎ জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ২ টাকা কেজি দরে চাল ও গম পেয়ে থাকেন এবং ৫০ লাখ মানুষ বাজারে দামের অর্ধেক দামে খাদ্যশস্য পায়।
৮ কোটি দরিদ্র এই সুবিধা পাওয়ার পরেও রাজ্যের বেশ কিছু জনগণ বঞ্চিত হয়েছে এই প্রকল্প থেকে। বাতিল পড়ে যাওয়া মানুষদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এবং তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নতুন করে আবার ডিজিটাল রেশন কার্ড চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের খাদ্য দপ্তর। এই কার্ডের মাধ্যমে সস্তায় দেওয়া হবে নন-পিডিএস দ্রব্যগুলি। শুধুমাত্র রেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে নয় এবার থেকে পরিচয় পত্র হিসাবে ব্যবহার করা যাবে এই কার্ডটি।
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শুধু সরকারি হাসপাতাল নয়, এবার রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল…
জ্যৈষ্ঠ মাসের ভ্যাপসা গরমে কার্যত নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। সকাল থেকেই তীব্র রোদ, উচ্চ তাপমাত্রা এবং…
দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা একাধিক রেল প্রকল্পে এবার নতুন করে গতি আসতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়…
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্রমবর্ধমান দামের মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর। রান্নার খরচ কমাতে…
শিয়ালদা ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের জন্য বড় খবর। রেলের পরিকাঠামোগত কাজের কারণে আগামী ৬ জুন রাত থেকে…
বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে ফের রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…