লকডাউনে বাড়িতে বসে বানিয়ে ফেলুন 'ছাতু' দিয়ে নানান রেসিপি
শ্রেয়া চ্যাটার্জি- গরমকালে লেবু, চিনি দিয়ে ছাতুর শরবত কিংবা অতিরিক্ত খিদে পেলে ছাতু, কলা, মুড়ি দিয়ে মেখে খেয়ে নিলেই অনেকক্ষণ বেশ পেটটা ভার থাকে। আর খিদে খিদে পায়না। তবে আধুনিক যুগের ‘ছাতু’ ব্যবহার নানা ভাবে হয় কিন্তু আপনি কি জানেন? এই ছাতু খাওয়ার ইতিহাসটা অনেক আগের মানে মুঘল যুগের। যুদ্ধে যাওয়ার আগেই সেনারা নাকি জলের সঙ্গে ভালো করে ছাতু মিশিয়ে খেয়ে যেতেন। নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য। শুধু ভারতীয়রাই নয়, চীনের ট্যাং রাজত্বেও চীনা সৈনিকদের দেওয়া হতো ছাতু। ছাতুর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন।
বিহারের মানুষ মূলত প্রচুর পরিমাণে ছাতু খেয়ে থাকেন। তার জন্য তাদেরকে ‘ছাতুখোর’ ও বলা হয়। তবে বিহার ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, দিল্লিতে ব্যাপক পরিমাণে ছাতুর ব্যবহার হয়। বিহারের ‘ছাতুর শরবত’, দিল্লিতে ‘ছাতুর পরোটা’, আর উড়িষ্যাতে ‘ছাতুয়া’, যা বানানো হয় ছাতুর সঙ্গে নানান রকম ফল দিয়ে। একেক জায়গায় একেক রকম ভাবে ছাতু দিয়ে বানানো হয় নানান স্বাদের রেসিপি। অতি সহজেই ছাতু দিয়ে যা যা বানিয়ে ফেলতে পারেন, তাহলো ছাতুর শরবত ছাতু দিয়ে তৈরি লাড্ডু, ছাতুর কচুরি, বেবিফুড, হালুয়া, বরফি, ডালিয়া, রুটি ইত্যাদি।
ছাতুর শরবত
উপকরণঃ যেকোনো ধরনের মিষ্টি (চিনি, গুড়, মধু), ঠান্ডা জল , ছাতু এবং অল্প নুন
প্রণালীঃ একটি গ্লাসে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ ছাতু দিয়ে ঠান্ডা জল ভরতে হবে। তারপরে আস্তে আস্তে স্বাদমতো মিষ্টি দিতে হবে। এক চিমটি নুন দিয়ে ভালো করে চামচ দিয়ে গলিয়ে নিলেই তৈরি ঠান্ডা ঠান্ডা ছাতুর শরবত।
ছাতুর লাড্ডু
উপকরণঃ ছাতু, ঘি এবং গুড়
প্রণালীঃ কড়ার মধ্যে ভালো করে ঘি দিতে হবে তারপর সেই ঘিয়ের মধ্যে দিতে হবে গুড়, যখন আস্তে আস্তে ঘিয়ের মধ্যে গুড়টি ভালো করে মিশে যাবে, তখন তার মধ্যে ছাতু দিতে হবে। আস্তে আস্তে খুন্তি দিয়ে নাড়াতে হবে প্রয়োজন পড়লে এর মধ্যে কিছু আপনার ইচ্ছা মতন বাদাম যোগ করতে পারেন। কড়া থেকে নামিয়ে ভালো করে ঠাণ্ডা হলে গোল গোল পাকিয়ে লাড্ডুর আকারে গড়ে নিন, একেবারে তৈরি ছাতুর লাড্ডু।
ছাতুর পরোটা
উপকরণঃ ছাতু, আদাবাটা, শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে, গোটা মৌরি, ময়দা, সাদা তেল , নুন , চিনি , হিং , জল
প্রণালীঃ প্রথমে ছাতুকে শুকনো করে অল্প জল দিয়েএকটু মেখে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে আদা দিতে হবে ভালো করে ভাজা হয়ে গেলে ছাতু দিয়ে কড়াইতে ভালো করে খুন্তি দিয়ে নাড়তে হবে। মিষ্টি দিয়ে দিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে তা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে দিতে হবে। এরপর শুকনো খোলায় শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে, ধনে, মৌরি ভাল করে ভাঁজতে হবে। ভাজা মশলা গুলিকে ভাল করে গুঁড়িয়ে নিতে হবে। এবার এটা ছাতুর সঙ্গে মিশিয়ে ময়দা, তেল, নুন চিনি দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে। তারপরে লেচি কেটে পরোটার আকারে গড়ে ভেজে নিলেই এক্কেবারে তৈরি ছাতুর পরোটা।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…