রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই প্রতিনিধি দল পাঠানোর কারণ স্পষ্ট নয়। তিনি টুইটে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠানোর কারণ জানতে চেয়েছেন। রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসাতে খুব অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল রাজ্যের সাথে কোনো যোগাযোগ না করেই বিভিন্ন জায়গাতে চলে গেছেন। মুখ্যসচিব তাঁর বাড়িতে বসে এই বিষয়ে কথা বলতে বলেছিলেন কিন্তু কেন্দ্রের দল তা করেননি।
এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর টুইটে লেখেন, “আমার সবার কাছে আবেদন যে সরকারকে এই করোনা যুদ্ধে সাহায্য করা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলকে মানুষের এই দুর্দশা থেকে মুক্তির জন্য সাহায্য করা হোক। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।”
প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের ৭ জেলার লকডাউন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য ২টি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে। সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের নিয়ে তৈরি করা প্রতিটি দলে ৫ জন করে আধিকারিক রয়েছেন। দুটি দলের মধ্যে প্রথম কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি ঘুরে দেখবে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। অন্যদিকে দ্বিতীয় দলটি যাবে দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায় পরিদর্শন করবে। আপাতত ৭টি জেলার সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেবেন তারা।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য বড় প্রশাসনিক সুবিধা আনতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এবার স্কুলেই আধার কার্ড আপডেটের…
পূর্ব রেলের যাত্রীদের জন্য সুখবর। শিয়ালদহ-লালগোলা রুটে আরও বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন চালানোর উদ্যোগ নেওয়া…
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে।…
নিরাপদ বিনিয়োগের কথা উঠলেই অনেকের প্রথম পছন্দ পোস্ট অফিসের সঞ্চয় প্রকল্প। ঝুঁকিমুক্ত ও সরকার-সমর্থিত হওয়ায়…
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের চর্চার কেন্দ্রে ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে…
রিলায়েন্স Jio আবারও গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে এসেছে। বর্তমানে মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে OTT…