২০১১ সালে সিপিএম ক্ষমতা হারায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। তখন থেকেই সিপিএম এর আর্থিক অবস্থার হাল খারাপ হতে থাকে। মাত্র ৮ বছরে রাজ্যে ধুঁকছে সিপিএম। আয় প্রায় অর্ধেক কমে গিয়েছে। তাই রাজ্য নেতৃত্ব গাড়ি ব্যাবহার কমানোর পাশাপাশি, অতিরিক্ত গাড়ি বিক্রি করে দিতে চাইছে। কেবলমাত্র রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ, জেলা সম্পাদক, প্রবীণ পার্টি সদস্য এবং প্রাক্তন সাংসদরাই গাড়ি ব্যাবহার করতে পারবেন। জরুরি অবস্থা থাকলে আগে থেকে জানতে হবে। পার্টি থেকে ব্যাবস্থা করে দেওয়া হবে। এমনকি বিভিন্ন অফিস এর ল্যান্ড ফোনের কানেকশনও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তে থাকে উন্মাদনা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স বা পর্তুগালের মতো…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সাধারণত রবিবার স্কুল বন্ধ…
ভারতীয় ক্রিকেটের উঠতি তারকা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মাত্র ১৫…
পশ্চিমবঙ্গে স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী,…
জামাইষষ্ঠীর দিনেও স্বস্তির আবহাওয়া মিলছে না বঙ্গবাসীর কপালে। বরং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার জেরে আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গ…
ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক…